কিশোরীকে বিয়ে করা সেই চেয়ারম্যানের বরখাস্তের আদেশ স্থগিতই থাকছে

প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০২১; সময়: ৪:১৫ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : সালিশ করতে গিয়ে নিজেই অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ নম্বর কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ স্থগিতই থাকছে। এমন নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের দেওয়া বিজ্ঞপ্তি কেন কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়েও রুল জারি করেছেন আদালত।

রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এর আগে, গত ৭ জুলাই সালিশ করতে গিয়ে নিজেই অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীকে বিয়ে করা পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ নম্বর কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ এক মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিলেন। আজ সেই স্থগিতাদেশ বাড়ালেন হাইকোর্ট। গত ২৮ জুন চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সেসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ৬ নম্বর কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহিন হাওলাদার সালিশ করতে গিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অপ্রাপ্তবয়স্ক (১৪ বছর ২ মাস ১৪ দিন) কিশোরীকে বিয়ে করেছেন।

এ ঘটনায় স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ৩৪ (৪) (ঘ) ধারার অপরাধ সংঘটিত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া, কেন তাকে চূড়ান্তভাবে অপসারণ করা হবে না, পত্রপ্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সে জবাব সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

চেয়ারম্যানের বিয়ের ঘটনা ব্যাপক আলোচিত হয়েছে। ভাইরাল হয়েছে যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে। এ ঘটনায় হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন।

  • 2
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে