বর্ষবরণে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইবি

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৩, ২০২২; সময়: ৮:৪৪ pm |

বিথী আক্তার, ইবি প্রতিবেদক : বাংলা বর্ষপঞ্জিতে যুক্ত হতে চলেছে আরো একটি বছর। রাত পোহালেই পহেলা বৈশাখ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ। প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির পুরোনো সময়কে পেছনে ফেলে নতুন বছরে পদার্পণের অপেক্ষা। নববর্ষকে বরণ করে নিতে বর্ণিল আয়োজনে মেতে উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে সরাই, কাগজ, চাটাই, কাপড়সহ নানা উপকরণে বাঙালি শিল্পকর্ম ফুটিয়ে তুলতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের । রঙ তুলির ছোঁয়ায় বাঁশ,বেতের সরঞ্জামে বাঙালি ঐতিহ্য রাঙিয়ে তুলতে ব্যতিব্যস্ত তারা।

এমন সমাজ কবে গো সৃজন হবে, যেদিন হিন্দু মুসলমান বৌদ্ধ খ্রিস্টান গোত্র নাহি রবে” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে চলছে নানা তোরজোর। গত দুবছর করোনা মহামারীর কারনে বন্ধ ছিলো মঙ্গল শোভাযাত্রা। এবছর সংক্রমণ কমে যাওয়ায় আবারো মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে পহেলা বৈশাখ। তাই শেষ মুহূর্তে চলছে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি।

চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সুদ্বিপ রায় জানান, কুষ্টিয়ায় লালনকে নিয়ে অনেক ঐতিহ্য আছে। এর প্রেক্ষিতে নববর্ষে আমরা লালন এবং একতারাকে প্রতিপাদ্য রেখে কাজ করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে চারুকলা বিভাগের আয়োজনে প্রথম বাংলা নববর্ষ। এই অনুষ্ঠানে কাজ করতে পেরে আমরা খুব খুশি।

বর্ষবরণের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে চারুকলা বিভাগের প্রভাষক ইমতিয়াজ রাসেল বলেন, কুষ্টিয়া যেহেতু বাউল সম্রাট লালনকে ধারণ করে তাই আমরা মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্যে লালন শাহ কে প্রাধান্য দিয়েছি। আমাদের শোভাযাত্রার শিল্পকর্মতেও জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমরা যে মানুষ এই বিষয়টিকে প্রধান্য দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘসময় আমরা মহামারীতে অতিক্রম করেছি। এবছর সকল খারাপ সময়কে বিদায় জানিয়ে আমরা মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে চারিদিকে শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতে চায়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে