মৃত্যুর আগে যা বলেছিল আবরার

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০১৯; সময়: ১১:০৬ পূর্বাহ্ণ |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ক্ষমতাসীন দলের অঙ্গ সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের নির্মম নির্যাতনে অকালে প্রাণ হারিয়েছেন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ। এই মৃত্যুর ঘটনায় গোটা দেশে নেমে এসেছে শোখের ছায়া। তিন দফায় প্রায় সাত ঘণ্টার টানা নির্যাতনে মারা যায় ছেলেটি। কিন্তু মরার আগেও বাঁচার আকুতি ছিলো আবরারের মুখে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে আবরার হত্যার লোমহর্ষক কিছু মুহূর্ত। প্রতিহিংসামূলক হামলার শিকার হওয়ার শঙ্কায় নাম না প্রকাশ করে বুয়েটের এক শিক্ষার্থী বিবিসিকে বলেন, যে কক্ষে আবরারকে মারধর করা হয়, সেখানে রাত ২টা পর্যন্ত জীবিত ছিলেন আবরার।

তিনি বলেন, ‘আমি আবরারকে ২০০৫ নম্বর কক্ষে দেখতে পাই, তখনো সে জীবিত। কয়েকজন জুনিয়র শিক্ষার্থীকে সঙ্গে করে আমি তাকে সিঁড়ির কাছে নিয়ে যাই।’ তখনো সে জীবিত। সে বলছিল- ‘প্লিজ, আমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে চলো।’ বিশেষ করে বিশেষায়িত কোন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সে।

বুয়েটের ওই প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী আরো জানায়, ‘এম্বুলেন্স আসতে দেরি হচ্ছিল। পুলিশ ছিল। যেকোন কারণেই হোক আমার আর সেখানে থাকা সম্ভব হয়নি।’

ঘটনাস্থলে থাকা আরেক শিক্ষার্থী বলেছেন, আবরারকে বাঁচাতে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী হলের সহকারী প্রভোস্টের কক্ষে যান। তখন বাইরে থেকে ওই কক্ষের দরজায় ধাক্কাধাক্কি করছিল ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। তারা কক্ষে ঢোকার চেষ্টা করে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পর আবরারকে ধরে নিয়ে যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর তার ওপর চলে অকথ্য নির্যাতন। হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে হামলাকারীদের নির্মম নির্যাতনের মুখে আবরার দুবার বমি করেন। সঙ্গে প্রস্রাবও করেন। এই নির্যাতন সইতে না পেরে এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে আবরার। এরপর তার মরদেহ ফেলে রাখা হয় বুয়েটের শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দোতলার মাঝামাঝি সিঁড়িতে। সেখান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট ছাত্রলীগের ১৪ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ফেনী নদীর পানি বণ্টন ও বন্দর ব্যবহারসহ ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিভিন্ন চুক্তির সমালোচনা করে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ায় শিবির সন্দেহে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। যদিও শিবিরের সঙ্গে আবরারের কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়নি। তার পরিবারের লোকজন আওয়ামী লীগ করে বলে শোনা গেছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • বগুড়ায় একদিনে ৬০ জনের করোনা শনাক্ত
  • রাজশাহীর আরেকজন করোনায় আক্রান্ত
  • নওগাঁয় ১৩ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
  • রামেক ল্যাবে একদিনে ৩১ জনের করোনা শনাক্ত
  • রাজশাহীতে করোনার উপসর্গে নাটোরের চিকিৎসকের বাবার মৃত্যু
  • রুয়েটে শুরু হচ্ছে অনলাইন ক্লাস
  • বাঘায় স্বামীর লিঙ্গ কেটে টাকা-গহনা নিয়ে পালালো স্ত্রী
  • পাবনায় একদিনে ৩ খুন
  • রাসিকের বর্জ্য ব্যবস্থার আধুনিকায়নে এসটিএস স্থাপনের উদ্যোগ
  • দেশে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২৬৩৫, মৃত্যু ৩৫
  • সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা সংকটাপন্ন
  • রাজশাহী অঞ্চলে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ১৪, আক্রান্ত ১২৮৭
  • চলতি মাসে দেশে বন্যার আশঙ্কা
  • বঙ্গোপসাগরে আবারও নিম্নচাপের শঙ্কা
  • ঝড়ে ভেঙে পড়লো বিমান, শিশুসহ নিহত ৫
  • উপরে