রাবিতে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্ত চায় ছাত্র ফেডারেশন

প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০১৯; সময়: ৪:৫১ অপরাহ্ণ |

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষকের দ্বারা দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে বিশ^বিদ্যালয় শাখা ছাত্র ফেডারেশন। মঙ্গলবার দুপুরে এই প্রসঙ্গে বিশ^বিদ্যায়ের উপাচার্যকে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এসময় তারা বিশ^বিদ্যালয়ের অকার্যকর যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল অবিলম্বে কার্যকর করে তাদের এই তদন্তভার অর্পণের দাবি জানান।

রাবি ছাত্র ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মহব্বত হোসেন মিলন স্বাক্ষরিত এই স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল মেয়াদ উর্ত্তীর্ণ হয়ে আছে। এজন্য শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে গোপনীয়তা রক্ষা করে অভিযোগ করতে পারছে না। সম্প্রতি শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। স্মারকলিপিতে অবিলম্বে যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল কার্যকর করে তাদের ওপর শিক্ষকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের তদন্তভার অর্পণের দাবি জানান তারা।

এই ব্যাপারে গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক লায়লা আরজুমান বানু বলেন, ইনস্টিটিউট একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন ব্যবস্থা নিবে। ওই প্রতিবেদন নিয়ে যদি প্রশ্ন উঠলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হয়তো নতুন তদন্ত কমিটি করবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ ও ২৭ জুন আইইআরের দুই ছাত্রী তাদের শিক্ষক সহকারী অধ্যাপক বিষ্ণু কুমার অধিকারীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও মানসিকভাবে উত্ত্যক্তের লিখিত অভিযোগ করেন। এর পরদিন ইনস্টিটিউটের এক জরুরি সভায় বিষ্ণু কুমার অধিকারীকে দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ষের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে তিন সদস্যের সত্যতা যাচাই কমিটি গঠন করে।

এরপর ২৮ জুন নিরাপত্তা চেয়ে নগরীর মতিহার থানায় অভিযোগকারী ওই দুই শিক্ষার্থী দুটি পৃথক সাধারণ ডায়েরি করেন। গত ৩০ জুন অভিযুক্ত শিক্ষকের সবোর্চ্চ শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন পালিত হয়। পরে শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিষ্ণুকুমার অধিকারীকে আইইআরের সব বর্ষের শিক্ষাকার্যক্রমে অব্যাহতি দেয়া হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে