২১ আগস্ট

ত্রিশ বছরেও ঘাতকদের মেটেনি আশ, পিতাকেও হত্যা করেছে ওরা- হত্যা করেছে স্নেহময়ী মাকে, ভাই ও পরিবারের প্রিয় সদস্যরাও ঘাতকদের..

তিমির বিনাশী মুজিব

আবারও সেই রাত্রির মত হিংস্র অন্ধকার আমাদের চারপাশে জড় হচ্ছে আবারও হত্যার জ্যামিতি খোদাই করা হচ্ছে স্বপনময় তরুণ মস্তিষ্কে আবারও হনন লিপ্সু মেশিনগান তাক করা হয়েছে জাতির বুক লক্ষ করে। পিতা, কে আর তোমার মত অকুতোভয় বুক,..

আমি বাঙালি

আমি দেখিনি, তবে শুনেছি এক মহামানবের গল্প। জাতি সত্তা ও দেশ গড়ার প্রতিভা, অদম্য শক্তি নিয়েই যার জন্ম। আমি দেখিনি, তবে পড়েছি এক মুজিবের স্বপ্ন। কোটি বাঙালির লালিত আস্থা ও প্রত্যাশা নিয়ে যার পথ চলা। আমি দেখিনি, তবে..

বিস্ময়সূচক তুমি

নির্জন মুন : সেলফের যে তাকে তুমি সাজিয়ে রাখো অভিমান, তার সম্মুখে দাঁড়াই আমি দিনমান যত্ন করে পড়ি অযত্নে জমা হওয়া যত অভিমান, তোমার বেদনামাখা দীর্ঘশ্বাস হাওয়ার তরংগে ভেসে ছুঁয়ে দেয় যে জুঁই, কামিনী তার সুবাস নিশ্বাসে..

বঙ্গমাতা

উনিশ’শো ত্রিশের আট আগস্ট, ভর দুপুরে ঝলমলে আলোতে অজপাড়া গাঁর আকাশে এক ধ্রুবতারার উদয়। দাদা আবুল কাশেম নাম রাখলেন ফজিলাতুন নেছা, আর মা আদর করে ডাকতেন রেনু। তিন বছর বয়স, বাবার আদর স্মৃতিতে ঠাঁই না পেতেই পরপারে চলে..

তুমি অমর

সেদিন রাতে চাঁদ-তারাসহ অন্য নক্ষত্ররা জাগেনি তোমার পাহারায়; ঘুমিয়ে ছিল তোমার দেশের সব মানুষ। গাছ-গাছালি, পাখ পাখালিরা– বীভৎসের তান্ডবে শব্দ হারিয়ে কিচির-মিচির করেনি সেদিন। সেদিন, তোমার জন্মভূমির কেউ ভাবেনি তোমার..

বাঙ্গালী হায়েনা

জোনাকির নিভে-জ্বলা আলোয় দেখবে দেশ, তাই ওরা মেতেছিল- ঘাপটি মেরে থাকা সৈনিক নামের একদল কাপুরুষ। স্বাধীন দেশে পাকিস্তানের হারানো বদলা নিতে উদ্যোত তারা- বাঙলার সুর্যের তাপ ও আলো নেভাতে ওরা দিশেহারা। সুর্যের আলো তো..

আতঙ্কে আজ বিশ্ব

এসেছিলে তুমি ১৯সনের শেষাংশে, দিয়েছিলে প্রথম চীনে হানা, তুমি গজব, নাকি চীনের আবিষ্কার, হয়নি আজও জানা।। তোমার কারণে সারা বিশ্বের মানুষের ভয়, কখন যে কার প্রাণঘাতী করোনা হয়! ভাইরাসের প্রতিষেধক কবে হবে বের, চেষ্টায় আছে..

অর্ধসত্য

সজল ছত্রী হাঁটতে হাঁটতে, হাঁটতে হাঁটতে খাদের কিনারে এলাম এবার একটু জিরোবো। সটান নেমে যাবো বলে তো আসিনি কাউকে তো বলেও আসিনি যে এইবার নামবো কেউ দেখবে না? কেউ অপেক্ষায় থাকবে না? এখন একটা শক্ত পাথর খুঁজে নেবো খাদের কিনারে..

উপে