নওগাঁয় ঝড়-বৃষ্টিতে জমিতে শুয়ে পড়া ধান নিয়ে বিপাকে চাষীরা

প্রকাশিত: এপ্রিল ২০, ২০২২; সময়: ২:১২ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, নওগাঁ : নওগাঁ ঝড়-বৃষ্টির তান্ডবে জমিতে শুয়ে পড়া ধান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টিতে ক্ষতির সম্ভাবনা দেখছেন ধান চাষীরা।

বদলগাছি আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বুধবার ভোর রাতে ৩টা ৪০ মিনিট থেকে ৪টা ২০মিনিট পর্যন্ত কালবৈশাখীর তান্ডব শুরু হয়। উত্তর-পূর্ব কোণ থেকে ধেয়ে আসা এই ঝড়টি জেলার প্রায় প্রতিটি উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায়।

ঝড়ে বাতাসে স্থায়ী ছিলো প্রায় ১৫-২০ মিনিট। ঝড়ের তান্ডবের পরে শুরু হয় বৃষ্টি। ঝড় বৃষ্টির কারণে ধানের মাঠের পাকা-আধাপাকা ও কাঁচা ধান খেত মাটিতে শুইয়ে পড়ে। এতে জমিতে থাকা ধান নিয়ে কিছুটা বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।

সরোজমিনে দেখা যায়, শেষ রাতে ঝড়ো হাওয়ায় ধানের মাঠের প্রায় ৭০শতাংশ ধান মাঠের জমির মাটিতে নুইয়ে পড়েছে। এতে করে ধান চাষী কৃষকদের গুনতে হবে বাড়তি টাকা।

সদর উপজেলার কৃষকরা জানান, বুধবার শেষ রাতের ঝড়ে আর বৃষ্টিতে জমিতে থাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে।এতে করে আধা পাকা আর কাঁচা ধানের বেশি ক্ষতি হয়েছে। জিরা শাইল, ২৮, ২৯ আর কাটারী জাতের ধানের বেশি ক্ষতি হয়েছে। যেখানে বিঘা প্রতি ২৫-৩০ মণ ধান ঘরে তোলার কথা ছিলো কৃষকের সেখানে এক ঘন্টার ঝড় বৃষ্টির কারনে ১৫-২০ মণ ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে জানান কৃষকরা।

এদিকে ধান মাটিতে শুয়ে পড়ার কারনে পাকা ধান ঘরে তুলতে তাদের বেশি মজুরী খরচ করতে হবে বলে জানান চাষীরা।

এদিকে,জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শামছুল ওয়াদুদ বলেন, প্রায় ১ঘন্টার ঝড় বৃষ্টিতে মাঠের প্রায় ধান জমিতে শুয়ে পড়েছে। তবে ধানের শীষ পরিপুর্ন হওয়ায় ধানের ব্যাপক কোন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, গেলও রাতের ঝড়ের সাথে বৃষ্টি হওয়ায় আম চাষীদের উপকার হলেও ধান চাষীরা একটু চিন্তিত আছেন । কেননা শুয়ে পড়া ধান কেটে ঘরে তুলতে তাদের বাড়তি টাকা গুনতে হতে পারে। এছাড়া যদি ঝড় বৃষ্টির সাথে যদি শিলা বৃষ্টি হতো তবে ধান চাষীদের ব্যপক ক্ষতি হত বলে জানান জেলার এই কৃষিকর্মকর্তা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে