নন্দীগ্রামে বোরো ধান কাটা-মাড়াই শুরু, আবহাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৯, ২০২২; সময়: ৫:০৮ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, নন্দীগ্রাম  : বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে অল্প পরিসরে ধান কাটা-মাড়াই শুরু হয়েছে। উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাটলাল, কৈডালা, শহরকুঁড়ি ও বিজয়ঘট এলাকার কৃষকেরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজে।

এ উপজেলার কৃষকরা বলছে, যারা আগাম জাতের ধান চাষ করেছে তারা এখন ধান কাটছেন। তবে পুরোদমে কাটা-মাড়াই শুরু হতে আরো ৭-৮ দিন সময় লাগবে। এদিকে গত ১০-১২ দিন থেকে আকাশ দিনের বেশির ভাগ সময় মেঘলা রয়েছে। নন্দীগ্রামে কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা আবহাওয়া লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। এতে আবহাওয়া নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায়
রয়েছে কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, এ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৯ হাজার ৫৭৩ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো ধান চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ১ লক্ষ ২৭
হাজার ৬৩২ মেট্রিক টন ধান।

হাটলাল গ্রামের কৃষক হাবিব মাষ্টার জানান, আগের তুলনায় ধানের উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করতে প্রায় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা খরচ হয়। আর পত্তন নিয়ে ধান চাষ করলে খরচ আরো অনেক বেশি। এবার ধানের ফলন বেশ ভালো। প্রতি বিঘা জমিতে ২২-২৪ মণ ধান উৎপাদন হচ্ছে। কৃষক মোবারক আলী বলেন, নতুন ধানের বাজার এক হাজার টাকার উপর থাকলে ভালো হবে। কৃষকের ধান উৎপাদন খরচ অনেক বেশি।

এখন প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৯শ’ থেকে এক হাজার টাকা। আর এক বিঘা জমির ধান কাটা-মাড়াইয়ের জন্য শ্রমিকদের দিতে হচ্ছে তিন হাজার টাকা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, ইরি-বোরো মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া ধান চাষের অনুকূলে থাকায় মাঠে তেমন কোনো রোগ বালাইয়ের আক্রমণ দেখা যায়নি। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে কৃষকরা ধানের ভাল ফলন পাবে।

এছাড়া আমরা কৃষকদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে