গুরুদাসপুরে দশম শ্রেনীর ছাত্রীর বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৪, ২০২২; সময়: ৮:১১ pm |

এসএম ইসাহক আলী রাজু, গুরুদাসপুর : নাটোরের গুরুদাসপুরে এক বিয়ে বাড়িতে বড় পাত্রে চলছিলো বরযাত্রীদের জন্য খাবারের আয়োজন। এদিকে বর আসার আগেই বিয়ের বাড়িতে উপস্থিত হন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেন। বিয়ের বাড়িতে পৌঁছে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন তিনি। শুক্রবার (১৪ জানুয়ারী) দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের বিলশা গ্রামে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের বিলশা গ্রামের স্কুল পড়–য়া মেয়ের বাল্য বিয়ের আয়োজন চলছিল। সেই মেয়ে বিলসা উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীর ছাত্রী। বর পাশ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। শুক্রবার দুপুরের দিকে বর এবং বরযাত্রীর আসার জন্য অপো করেছিল মেয়ের বাড়ির লোকজন।

ঠিক এমন অবস্থায় গুরুদাসপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেন। মেয়ের বাড়ির লোকজন নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)কে বিভিন্ন ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। তবে নানা আয়োজনের প্রস্তুতির ব্যাপারে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেয়ের পরিবার স্বিকার করেন তার মেয়েকে দেখতে আসবে। এরপর ইউএনও তমাল হোসেন সেই বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং ১৮ বছরের পুর্বে বিয়ে দিবে না মর্মে মুচলেকা দেন তার পরিবার।

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ তমাল হোসেন বলেন, গোপনীয় ভাবে খবর পাই বিলশা এলাকায় দশম শ্রেনীতে পড়–য়া এক ছাত্রীকে ১৬ বছরের এক শিার্থীর বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। এমন খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে