বগুড়ায় চাঞ্চল্যকর হাছেন হত্যাকান্ডের তথ্য উদঘাটন করল সিআইডি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৪, ২০২১; সময়: ৫:৫৪ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : গত ১ নভেম্বর সকালে বগুড়া সোনাতলা থানাধীন প্রত্যন্ত চরসরোলিয়া মৌজার বন্যার পানিতে অর্ধডুবন্ত একটি ডুমুর গাছে হাছেন আলী নামের এক গরু ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখে হতভম্ব হয় এলাকাবাসী। সোনাতলা থানা পুলিশ সংবাদ পেয়ে মৃত হাছেন আলী (৪০) এর মৃতদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক পুলিশি কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

মৃত হাছেন আলী সোনাতলা থানার শিমুলতাইর আশ্রয়ন প্রকল্পের আব্দুল জলিল ওরফে ফইম এর ছেলে এবং একজন গরু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ ঘটনায় মৃত হাছেন আলীর স্ত্রী আঙ্গুর বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে সোনাতলা থানার মামলা নম্বর; ১ তারিখ ০১/১১/২০২১ খ্রি: ধারা: ৩০২/৩৪ দায়ের করেন। ঘটনার পর থেকে সিআইডি বগুড়া জেলা এবং সিআইডি ঢাকার’র এলআইসি বিভাগ ঘটনার ছায়া তদন্ত চালিয়ে যান।

ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপর্ণ তথ্যাদি সংগ্রহ করেন। থানা পুলিশ এ হত্যাকান্ডের কোন তথ্য উদঘাটন করতে না পারায় ২১ ডিসেম্বর সিআইডি মামলার তদন্তভার অধিগ্রহন করে সিআইডি বগুড়া জেলার পুলিশ পরিদর্শক জনাব মোঃ জাহিদ হোসেনকে তদন্তকারী অফিসার নিযুক্ত করেন। সিআইডি বগুড়া জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কাউছার সিকদার এবং সিআইডি ঢাকার এলআইসি বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তাধর মিতুল দ্বয়ের প্রত্যক্ষ দিক-নির্দেশনায় সিআইডি বগুড়া জেলার একটি টিম এবং এলআইসি ঢাকার একটি টিম যৌথ অভিযান চালিয়ে সোনাতলা থানাধীন চরসরোলিয়া নামক প্রত্যন্ত চরাঞ্চল থেকে এ ঘটনায় জড়িত হযরত আলী (২০)-কে ২২ ডিসেম্বর ভোররাত্রীতে গ্রেফতার করেন।

সিআইডি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে হযরত আলী ঘটনার সকল তথ্য প্রকাশ করে। হযরত আলী সারিয়াকান্দি থানার শিমুলতাইর গ্রামের সোলেমান মুসুল্লি’র ছেলে। সোনাতলা থানার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে বাদাম চাষের আবাদী জমির ভোগদখলকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকান্ডের সূত্রপাত। আজ ২৪ ডিসেম্বর অপরাহ্নে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অনন্না রায় এর আদালতে ফৌ:কা:বি: ১৬৪ ধারায় হযরত আলী ঘটনার সকল তথ্য প্রকাশ করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে