সিরাজগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমানের ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১; সময়: ৬:৫১ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ : পলাশ ডাঙ্গা যুবশিবিরে ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার গাজী লুৎফর রহমান অরুনের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে এ উপলক্ষে শহরের এম এ মতিন সড়কস্থ পলাশ ডাঙ্গা মুক্তিযোদ্ধা পাঠাগার ও স্মৃতি সংসদ প্রঙ্গনে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শুরুতেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সহ সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। তখন সিএনসি গাজী সোহরাব আলী সরকারের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুর রহিমের সঞ্চালনায় সভা বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান, এ্যাড : সুকুমার চন্দ্র দাশ , ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নান, আব্দুল হাই তালুকদার, খোসলেয়াস উদ্দিন খোকা, আলী ইমাম দুলু, আক্তার হোসেন ও জিল্লুর রহমান সহ পলাশ ডাঙ্গা যুবশিবিরে নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, ব্যাটেলিয়ান কমান্ডার প্রয়াত লুৎফর রহমান অরুন তৎকালীন পাকিস্থানী সেনাবাহিনীতে চাকুরীরত অবস্থায় পালিয়ে এসে মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহন করে। তখন প্রশিক্ষক ও ব্যাটালিয়ান কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বক্তারা আরও বলেন, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পারম্ভেই প্রয়াত আব্দুল লতিফ মির্জা, সিএনসি সোহরাব আলী সরকার , লুৎফর রহমান মাখন, মনিরুল কবীর, আব্দুল আজিজ সরকারের নেতৃত্বে কামারখন্দের প্রত্যন্ত অঞ্চল মধ্য ভদ্রঘাট গ্রামের অসিম উদ্দিন শেখের বাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প গড়ে তোলেন।

এখানে প্রায় ৫ থেকে ৬ শত মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষন গ্রহন করেন। জেলায় ১৭ জুন মধ্য ভদ্রঘাট এক সম্মুখ যুদ্ধে ৩ জন পাকহানাদার বাহিনীকে হত্যা করে কামারখন্দে একটি বিশাল এলাকা শত্রু মুক্ত করেন। তাছাড়া হান্ডিয়াল নওগা , বোনইনগর ফরিদপুর , চাচকৈর, কালিয়া হরিপুর ঘাটিনা সহ বিভিন্ন স্থানে পাকহানাদার ও তাদের দোষরদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদান অসামান্য বলে উল্লেখ করেন বক্তারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে