মাদ্রাসা সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১; সময়: ৭:৪০ pm |

নূর ইসলাম রোমান, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বয়স জালিয়াতি করে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিরাপত্তাকর্মী ও আয়া নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তি দেওয়া হয়েছে। উপজেলার দোবিলা ইসলামপুর আলিম মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সুপারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা এর প্রতিকার চেয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (মাদ্রাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ অনুযায়ী নবসৃষ্ট পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার অনুমতি পায় উপজেলার দোবিলা ইসলামপুর আলিম মাদ্রাসার দাখিল বিভাগ। মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জয়নাল আবেদীন ও সুপার আবু বক্কার সিদ্দিক বয়স জালিয়াতিসহ নানা অনিয়ম করে তারা দেবীপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামকে নিরাপত্তাকর্মী ও একই গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী মমতাজ বেগমকে আয়া পদে নিয়োগ দেন।

এরপর ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি তাদের যোগদান শেষে এমপিও ভুক্তির জন্য অনলাইন আবেদন করেন। তারা দু’জনেই এমপিওভুক্ত হয়ে বর্তমানে বেতন-ভাতা ভোগ করছেন। অথচ সরকারি বিধি অনুযায়ী নিরাপত্তাকর্মী ও আয়া পদের জন্য প্রার্থীর বয়স হতে হবে ৩৫ বছর। কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী যোগদানের তারিখে নিরাপত্তাকর্মী জহুরুল ইসলামের বয়স ৩৭ বছর ৪ মাস ২১ দিন ছিল। আয়া পদের মমতাজ বেগমের বয়স ছিল ৩৫ বছর ৭ মাস ২৯ দিন।

এ বিষয়ে দোবিলা ইসলামপুর আলিম মাদ্রাসার সুপার আবু বক্কার সিদ্দিক জানান, নিয়োগপ্রাপ্ত আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী বয়সে কিছু ঝামেলা আছে। আর বর্তমানে তারা দু’জনেই বেতন-ভাতাপ্রাপ্ত হয়েছেন। তাই তাদের বয়স সংশোধন করার জন্য আবেদন করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দোবিলা ইসলামপুর আলিম মাদ্রাসার সভাপতি জয়নাল আবেদীন বলেন, নিয়োগ পাওয়াদের বয়স কম না বেশি আমার দেখার বিষয় নয়। তারা এলাকার মানুষ চাকরি পেয়েছেন। তারা বয়স সংশোধনের আবেদন করেছেন। সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলে আর সমস্যা থাকবে না। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফকির জাকির হোসেন বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে