দুদকের মামলায় আলোচিত সেই ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

প্রকাশিত: আগস্ট ২২, ২০২১; সময়: ৮:১০ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের আলোচিত সেই ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহীন হাওলাদারসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২২ আগস্ট) দুপুরে পটুয়াখালীর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক রোখসানা পারভীন জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, বাউফলের কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মো. মজিবুর রহমান, তালিকা যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও তৎকালিন বাউফল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইদুর রহমান, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্য মো. নিজাম উদ্দিন হাওলাদার ও আশ্রাফুল আলম কামাল এবং বছাই কমিটির সদস্য ও আয়লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মেসবা উদ্দিন তালুকদার।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে হতদরিদ্রের (ভিজিডি) তালিকা প্রণয়নে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে একই পরিবারের ৪৮ জন, ৯১ জনকে দ্বৈত তালিকায় এবং ৯৪ জন বিত্তশালীসহ মোট ২৩৩ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে। এ ঘটনা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে বিষয়টি দুদকের নজরে আসে। তালিকা প্রণয়নে অসঙ্গতি পেয়ে ২০১৮ সালে ২৮ জানুয়ারি বাউফল থানায় উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তৎকালীন পটুয়াখালীর দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-সহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস একটি মামলা দায়ের করেন। পরে দুদক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠান। এরপর তারা জামিন পান।

পরে দুদকের মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার বাদী ও তদন্তকারী অফিসার মানিক লাল দাস। কিন্তু আদালত সন্তুষ্ট না হয়ে পুনরায় তদন্তের নির্দেশনা দেয় দুদককে। এর ধারাবাহিকতায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালী দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আরিফ হোসেন উল্লেখিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দফা চার্জশিট দাখিল করেন। দীর্ঘ দিন আদালতের কার্যক্রম স্থগিত থাকায় রোববার (২২ আগস্ট) আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। কিন্তু আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠায়।

দুদকের আইনজীবী আরিফুল হক টিটো এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • 126
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে