তাড়াশে বন্যা আশ্রায়ণ কেন্দ্র নির্মাণে ধীরগতি

প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২১; সময়: ২:৩৮ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে চারতলা বিশিষ্ট কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রায়ন কেন্দ্র নির্মাণে ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভবনা বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

ঢাকাস্থ দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের অধীনে বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৩ কোটি ১৬ লাখ ৮৬ হাজার ৫৯৪ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে চারতলা বিশিষ্ট কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্র নির্মাণ কাজের দরপত্র আহবান করা হয়। তখন মীম এন্টার প্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজটি পেয়ে গেলে ২০২০ সালের ২৩ আগষ্ট মাসে কাজ শুরুর কার্যাদেশ দেওয়া হয়। এ কাজের শেষ তারিখ ২০২২ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত রয়েছে।

এদিকে কামারশোন গ্রামের আইয়ূব আলী, আলতাব হোসেন ও মজনু সরকার বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কামারশোন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কাম বন্যা আশ্রায়ন কেন্দ্র নির্মাণের কার্যাদেশ পাওয়ার প্রায় সাত মাস পর ২০২১ সালের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাজ শুরু করেন। এপ্রিল মাসে বেস ও কলাম ঢালাইয়ের পর অদ্যাবদি আর কোন কাজ না করে ফেলে রেখেছেন।

তারা আরও বলেন, কর্ম এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে যেতে চলতি বছর প্রায় শেষ হয়ে যাবে। কাজেই নিশ্চিত করে বলাই যায়, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এ কাজ শেষ করা কোনভাবেই সম্ভব নয়।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস মীম এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী শামসুল ইসলাম বলেন, বন্যা আশ্রয়ন কেন্দ্রের নকশা বারবার পরিবর্তন করায় কাজের ধীরগতি হয়েছে। কেমিক্যাল (বরাল) দিয়ে রডের মরিচিকা পরিস্কার করে পূনরায় কাজ শুরু করা হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ঐ আশ্রয়ন কেন্দ্রের বেস ঢালাই দিয়ে হাফ কলাম করে তা ফেলে রাখা হয়েছে। ফলে কলামের রডগুলো বৃষ্টিতে ভিজে মরিচিকা ধরে কার্য ক্ষমতা হারাতে বসেছে। হয়তবা অল্প কিছুদিনের মধ্যে রডের বেশ খানিকটা অংশ বন্যার পানিতে তলিয়ে যাবে। তখন আরো বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী মো. জালাল উদ্দিন বলেন, নির্মাণ কাজের ধীরগতির কারণে ইতোমধ্যে ঠিকাদারকে দুবার কারণ দর্শানোর জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে