বড়াইগ্রামে পৃথক ঘটনায় আহত ৪

প্রকাশিত: জুলাই ১১, ২০২১; সময়: ৫:৪৩ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়াইগ্রাম : নাটোরের বড়াইগ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে তিনজনকে ও দোকানে পন্য ক্রয় নিয়ে বিরোধে একজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার সকালে উপজেলার বড়াইগ্রাম পৌরসভার রাজ্জাক মোড় এলাকায় এবং বিকেলে চান্দাই ইউনিয়নের লেদ মোড়ে ওই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন রাজ্জার মোড়ের ইসাহাক আলীর ছেলে আলেক সরদার (৪০), তার স্ত্রী সুরমা বেগম (৩০) ও আব্দুল মালেকের ছেলে জীবন সরদার (২৬) এবং চান্দাই ইউনিয়নের দিয়ার গারফা গ্রামে হযরত আলীর ছেলে মোজদার মন্ডল (৪৫)।

আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। রাজ্জাক মোড় এলাকার সুরমা বেগম বাদী হয়ে আট জনের নামে এবং মোজদার মন্ডল তিন জনের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন।

সুরমা বেগম বলেন, আমার স্বামীর সাথে মৃত বছি সরদার পুত্র শামীম (৪০) জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে। সেই সুত্রে সকালে শামীম, তার ভাই আব্দুর রাজ্জাক সরদার (৪৮), স্ত্রী শরীফা বেগম (৪০), ছেলে রনি সরদারসহ (২৫) ১০-১২ জন আমার বাড়িতে হামলা করে। আমি বাধা দিলে আমাকে এলোপাথারি মারপিট করে। আমার স্বামী ও দেবরের ছেলে জীবন আমাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারপিট করে। এসময় টিভি, টিনের বাক্স, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়।

অভিযুক্ত শামিম সরদার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। তার বাড়িতে হামলা করা হয়নি। বরং তারাই আমাকে মারার জন্য এসেছিল।

মোজদার মন্ডলের স্ত্রী শিক্ষা বেগম বলেন, লেদ মোড়ের সকল দোকানদার বিএনপি সমর্থক। আমার স্বামী আওয়ামীলীগের সমর্থক। আমি সকালে দিয়ার গাড়ফা গ্রামের আব্দুল্লাহের (৬০) দোকানে সয়াবিন তেল ক্রয় করতে গেলে আমাকে তেল দেয় না। আমি আমার স্বামীকে বললে সে তেল না দেওয়ার কারন জানতে চাইলে কথা কাটাকাটি হয়। পরে আমার স্বামী মোটর সাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় আব্দুলাহ ও তার ছেলে হাসান (৩৫), সাত্তারে ছেলে লালনসহ (৫০) কয়েকজন এলোপাথারি ভাবে পিটিয়ে আহত করে।

মাজদারের ভাই হাসিনুর ইসলাম বলেন, সকালে মাজদারের দ্বিতীয় স্ত্রী আমার ভাইয়ের দোকানে বাকিতে তৈল কিনতে যায়। আমার ভাই বাকি দিতে অস্বীকার করলে মাজদার মন্ডল অম্লীল ভাষায় গালি-গালাজ করে। পরে আমার ভাতিজারা সামন্য চর থাপ্পর দিয়েছে।

বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহিম বলেন, আলেক সরদারের বাড়িতে হামলার বিষয়ে মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে