ফ্লু-ওয়ার্ডে বেড সংকট, নওগাঁ সদর হাসপাতালে আসা রোগীদের নানা অভিযোগ

প্রকাশিত: জুলাই ৮, ২০২১; সময়: ১:১৮ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, নওগাঁ : নওগাঁয় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ফ্লু-ওয়ার্ডে রোগীদের চাপে মেঝেতে বেড স্থাপন করে চলছে চিকিৎসা ব্যবস্থা।

ফ্লু-ওয়ার্ডে বেড সংকট থাকলেও নেই করোনা ওয়ার্ডে জানালেন সিভিল সার্জন। এছাড়া করোনা পরীক্ষা করতে আসা মানুষদের ভোগান্তীর জন্য রয়েছে নানাবিধ অভিযোগ।

করোনা ওয়ার্ডে নতুন ৩০টি বেড সংযোযন করায় হাসপাতালটিতে এখন করোনা পজেটিভ রোগীদের জন্য নিচতলা এবং উপরতলা মিলিয়ে মোট বেড সংখ্যা ৫০টি।

অপরদিকে অক্সিজেন সংকট মেটাতে হসপাতালটিতে ৬হাজার লিটার বিশিষ্ট লিকুইড হাইপ্লো-অক্সিজেন সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে যা অতি তারাতারি চালুর হবে। ফ্লু এবং করোনা ওয়ার্ডের পাশাপাশি হাসপাতালটির অন্যান্য বেডেও সাপ্লাই অক্সিজেন সংযুক্ত করা আছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

করোনা পরীক্ষা করতে আসা রোগীদের অভিযোগের শেষ নাই। করোনা পরীক্ষাকারীরা নিয়মের যেয়ে করোনা পরীক্ষা করেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেন।

এছাড়া হঠাত নিজ আসন থেকে উঠে ৩০-৫০ মিনিট পর্যন্ত থাকেন না বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভুগীরা। এতে করে পরীক্ষা করতে আসা রোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানান ভুক্তভুগীরা।

নওগাঁয় গত একমাস যাবত জ্বরের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফ্লু-ওয়ার্ডে রোগীদের চাপ বেড়েছে । তাই উপসর্গ থাকা রোগীদের করোনা পরীক্ষা করে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এদিকে মেঝেতে চিকিৎসা প্রসঙ্গে জেলা সিভিল সার্জন জানান- ফ্লু-ওয়ার্ডে রোগীর বেডের সংখ্যা মাত্র ১৫টি থাকায় রোগীদের চাপ বেশি হওয়ায় এমন ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে অতি দ্রুত এ সংকট কাটিয়ে রোগীদের সু চিকিৎসার কথা জানান জেলা সিভিল সার্জন নওগাঁ এবং তত্বাবধায়ক ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নওগাঁ সদর হাসপাতাল ডাঃ এবি এম আবু হানিফ।

এদিকে ফ্লু-ওয়ার্ড রোগীর স্বজনরা এবং করোনা পরীক্ষা করতে আসা রোগীদের অভিযোগ হাসপাতালটির অব্যবস্থাপনার উপর। তাঁরা জানান- করোনা পরীক্ষা করতে হাসপাতালে এসে এমন ভোগান্তি পোহাতে হবে তাদের জানা ছিলো না । এমন ভোগান্তি এড়াতে বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান ভুক্তভুগী রোগীরা ।

নওগাঁয় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ২৩ এপ্রিল। এ পর্যন্ত জেলায় মোট করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৪হাজার ৭৩৬ জন। আর আজকের দিন (০৭জুলাই) পর্যন্ত জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯০জন। যা মৃত্যু বিবেচনায় ১৬দশমিক৪ শতাংশ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে