‘অযথা কাউকে হয়রানী নয়, মানুষের উপকার করতে মাঠে থাকবে পুলিশ’

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২১; সময়: ৮:৪০ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাপাহার : করোনা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ও আমের বাণিজ্যিক রাজধানী নওগাঁর সাপাহারে চলতি আম বাজারে অতিরিক্ত যানজট দ্রুত নিরসনে একটি অত্যাধুনিক রে-কার মেশিন এর বার্তা নিয়ে সাপাহারে এসেছিলেন নওগাঁ পুলিশ সুপার প্রোকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া (বিপিএম)। শুক্রবার সন্ধ্য সাড়ে ৬টার দিকে সাপাহার জিরো পয়েন্টে চত্ত্বরে এসে স্বাস্ব্যবিধি অনুসরণ করে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন।

এ সময় তিনি বলেন, পুলিশ কাউকে অযথা হয়রাণী নয় মানুষের উপকার করার জন্য সর্বক্ষন কাজে নিয়োজিত থাকবে। করোনা মোকাবেলা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াই আমাদের প্রত্যেকের লড়াই। ৭১সালের মত এ লড়াইয়ে আমরা যাতে জয়লাভ করতে পারি সে লক্ষকে সামনে রেখে আমাদেরকে এক যোগে কাজ করে যেতে হবে। সরকারের ডাকা এক সপ্তাহের লকডাউকে আমরা সকলে মেনে ঘরে থাকবো, অযথা কেউ ঘরের বাহিরে বের হবনা।

শেষে এসপি রে-কার মেশিনের গুনাগুন সম্পর্কে বলেন, আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ পুলিশের অভিভাবক ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহম্মেদ এবং নওগাঁ জেলা পুলিশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় জেলার যানজট কমাতে জেলায় ০১ টি রে-কার মেশিন দিয়েছেন যা জেলার সকল উপজেলার যানজট কমাতে রেকারিং করবে যাতে করে অবৈধ পার্কিং এর জন্যে গাড়ির পেছনে যেন যানজট সৃষ্টি না হয়।

এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া (বিপিএম) আরও বলেন, আমাদের জেলাতে যানজট কমাতে আমরা একটি রেকার পেয়েছি মূলত এটি যে উপজেলায় যানযট সৃষ্টি হবে আমরা তাৎক্ষণিক সেই এলাকাতে রেকারিং এর মাধ্যমে তা অতি দ্রুত সময়ের জন্য যানজট নিরসন করবো।

এ সময় সাপাহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বিনয় কুমার,) থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আল মাহমুদ সহ পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা সহ অসংখ্য পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রেজিস্ট্রেশন বিহীন গাড়ি রাস্তায় চালালে, রুট পারমিট এর শর্তভঙ্গ করলে, গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে, ফিটনেস বিহীন গাড়ি রাস্তায় নামালে, রং পার্কিং করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে, গাড়ি পার্কিং করে চালক না থাকলে, এছাড়াও যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করলে, ত্রুটিপূর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ গাড়ি রাস্তায় চালালে এবং আরোও ট্রাফিক আইন বিরোধী কাজ করলে ট্রাফিক পুলিশ ওই গাড়িতে রেকারিং করবে। রেকারিং ফি গাড়ির বিভিন্নতার উপর নির্ভর করে টাকা দিতে হবে।

পুলিশের রেকার দিয়ে গাড়ি টেনে নেওয়ার দৃশ্য এখন রাজধানীতে নয় উপজেলায় বা জেলায় দেখা যাবে কিন্তু উপজেলা লেবেলে অনেকেই জানেন না আপনার প্রিয় গাড়িটি কেন পুলিশ রেকারিং করবে। আসুন আমরা সকল বিষেয়ে সচেতন হই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি নিজকে সহ সকলকে সুস্থ্য রাখি এই প্রত্যাশা করে পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আবদুল মান্নান মিয়া (বিপিএম) তার কথা শেষ করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে