শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠদানের অনুমতি পেল আবুল কাশেম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়

প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২১; সময়: ৮:০৩ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুজানগর : পাবনার সুজানগর পৌর সদরে অবস্থিত সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রয়াত আবুল কাশেম এর নামে প্রতিষ্ঠিত আবুল কাশেম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়টিকে পাঠদানের অনুমতি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, বেসরকারি মাধ্যমিক-১ এর উপসচিব আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রয়াত আবুল কাশেমের কনিষ্ঠ পুত্র শাহীনুজ্জামান শাহীন তার পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিকে পাঠদানের অনুমতি প্রদান করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এবং এ প্রতিষ্ঠানটি যেন আগামীতে সুজানগর উপজেলার শ্রেষ্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হতে পারে এ জন্য সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য একিউএম শামসুজ্জোহা বুলবুল জানান, মেধাবী শিক্ষকদের মাধ্যমে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করানো হয়ে থাকে এ বিদ্যালয়ে। পাশাপাশি বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের পক্ষ থেকেও নিয়মিত সর্বদিক তদারকি করা হয়ে থাকে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ সম্পা খাতুন বলেন, গত ২০১৯ সালের জানুয়ারী মাসে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে সে বছরই জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট(জেএসসি) পরীক্ষায় শতভাগ পাশ করে সুনাম অর্জন করে। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মত মোট ২৬ জন ছাত্র ছাত্রী অংশগ্রহণ করেছিল জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট(জেএসসি) পরীক্ষায়। তন্মধ্যে সবাই কৃতিত্বের সাথে পাশ করে। এছাড়া ২০১৯ প্রথমবারের মত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণীর বার্ষিক পরীক্ষায়ও ছাত্রছাত্রীরা শতভাগ পাশ করে ।

উল্লেখ্য, সফল রাজনীতিক মরহুম আবুল কাশেম ২০১৬ সালের পহেলা অক্টোবর পৌরসভার চরসুজানগর গ্রামে তার নিজ বাসভবনে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেন। তিনি জীবিত থাকাকালীন ১৯৬৩ সাল থেকে ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এরপর তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। এরপর আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হওয়ার কিছু দিনের মধ্যে সাংগঠনিক যোগ্যতার কারণে প্রথমে উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এবং পরবর্তীতে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব প্রাপ্ত হন। এর পর ১৯৭৪ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত দলের সাধারণ সম্পাদক এবং ২০০৪ সাল থেকে মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি দুইবার সুজানগর ইউপি চেয়ারম্যান এবং ২০১৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এছাড়া তিনি দীর্ঘদিন সুজানগর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে