পাবনায় ১০ বছর আগে নির্মিত সেতুর হয়নি সংযোগ সড়ক

প্রকাশিত: জুন ২০, ২০২১; সময়: ৫:৩৯ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনায় ১০ বছর আগে নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় ভোগান্তিতে পড়ে আছে ১০ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। প্রায় অর্ধ কোটি টাকা ব্যয়ে এই সেতু নির্মান ক্েরন সুজানগর এলজিইডি। সেতুটি এখন এলাকাবাসীর গলার কাঁটা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন সেতু পারাপার হচ্ছে তাঁরা।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের নরসিংহপুর গ্রামে ওয়াপদা বাধের খালের উপর প্রায় ১০ বছর আগে স্থানীয় সরকার অধিদপ্তর (এলজিইডি) একটি বড় সেতু (ব্রীজ) নির্মান করেন। মিনি মহাসড়কের সাথে সংশ্লিষ্ট এই সেতু নির্মানে ব্যায় হয় প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। ১০ গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার মানুষের উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াত সুবিধার জন্য নির্মিত এই সেতুর দুই পারেই সংযোগ সড়ক নাই। জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিদিন সেতু পারাপার হচ্ছে এলাকাবাসী। ফলে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে ছোট খাট দূর্ঘটনা।

নরসিংহপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহীন মোল্লা জানান, জনগুরুত্ব বিবেচনা করে সেতু নির্মিত হলেও সংম্লিষ্টদের অবহেলার কারণে জনদুর্ভোগে পোহাচ্ছে ১০ গ্রামের মানুষ। এ্ই সেতু এথন আমাদেও গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সেতুর দুই পার মাটি দিয়ে বরাট করা হলেও নির্মান ক্রুটির কারণে মাটি থাকছে না। বর্ষার সময় ও অতি বৃষ্টি হলেই সেতুর সংযোগ সড়কের মাটি ধসে যায়, ঝুঁকি নিয়েই মানুষ পারাপার হয়। এভাবে প্রায় ১০ বছরের মতো সংযোগ সড়ক ছাড়াই সেতুটি ব্যবহার হচ্ছে। তিনি আরো জানান, সংশ্লিষ্ট দফতরে বহুবার জানানো হয়েছে। তারা কোন ব্যবস্থা নেন নাই এবং নিচ্ছন না।

সুজানগর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) আব্দুল বাতেন এই বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। সেতুটি অনেক আগে নির্মিত হয়েছে দাবী করে তিনি বলেন, এই বিষয়ে তার কিছুই জানা নাই। কত টাকা ব্যায় এবং কত বড় সেটা বলা সম্ভব নয়। কারন সেই সময় আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না। তবে সম্ভবত স্থানীয় সাংসদের ব্যবস্থাপনায় বিষয়টির সমাধানের কাজ হচ্ছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির বলেন, বিষয়টি আমি জানি, সমাধানের কাজ চলছে। আশা করছি খুব দ্রুত ঐ সেতুর সংযোগ সড়ক হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে