পাবনায় হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আ.লীগ নেতার অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিসে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২১; সময়: ৭:৫৩ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, পাবনা : পাবনায় আলোচিত গনপুর্ত অফিসে আওয়ামীলীগ নেতাদের অস্ত্রের মহড়ার ঘটনায় জব্দকৃত অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করেছে পাবনা পুলিশ। তাদের দাবী অন্যদের কথা বলতে পারবো না এ ঘটনায় পুলিশই একমাত্র যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে। পাবনার সাঁথিয়ায় সেলিম হোসেন (২৫) নামের এক অটোরিকশাচালককে পায়ের রগ কেটে হত্যার ৭২ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন ঘটনার সাংবাদিক সন্মেলনে মঙ্গলবার দুপুরের পাবনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য দেন পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান।

সংব্দাসন্মেলনে তিনি আরো জানান, পুলিশি তদন্ত ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকারীদের সনাক্ত করা হয়। গত (১২জুন২০২১) তারিখ ভোর সাড়ে ৬ টার সময় ঢাকা জেলার ধামরাই থানা নওগাঁ বাজারের জনৈক বক্করের ইট-ভাটা হতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত’রা হলেন, সাঁথিয়া ছোন্দহ এলাকার মোঃ সাঈদ মোল্লা ছেলে রাসেল হোসেন (২২), সাঁথিয়া বহলবাড়িয়া পূর্বপাড়া মোঃ সোলেমান ছেলে মোঃ রানা শেখ (২১) ও একই এলাকার মোছাঃ শীলা খাতুন (২১) স্বামী-মোঃ আল-আমিন এবং মোঃ হোসেন আলী (১৮), আতাইকুলার মো: দেলোয়ার হোসেন (৩৮)।

পরিকল্পনা মোতাবেক আসামীগণ হত্যার দিন বিকাল ৫টার সময় মাহমুদপুর বাজারে একত্রিত হয়। সেখান থেকে রিজার্ভ ভাড়ার কথা বলে ভিকটিম সেলিমকে মাহামুদপুর বাজারে আসতে বলে। সেলিম মাহামুদপুর বাজারে আসলে আসামী রাসেল, রানা, আল আমিন, সাগর এবং হোসেন ভিকটিম সেলিমের ইজিবাইকে করে বহালবাড়ীয়ার কালুকাটা নামক স্থানে পৌছে। পরে ইজিবাইকটি মোড়ে রেখে কালুকাটা চকে আইলের উপর বসে গাজা সেবন করতে থাকে। রাত্রী অনুমান ৯টার দিকে ভিকটিম সেলিম নেশাগ্রস্থ হয়ে পরলে আসামীগণ চাকু এবং হাতুরি দিয়ে নৃশংসভাবে সেলিমকে হত্যা করে।

আসামীরা সেলিমের মৃত্যু নিশ্চিত করে ইজিবাইকটি নিয়ে রাতে আতাইকুলা বাজারে যায় এবং আনুমানিক রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভাংরির দোকানদার দেলোয়ারের নিকট ৩১৫০০/- টাকা দিয়ে ইজিবাইকটি বিক্রি করে নিজেদের মধ্যে টাকা ভাগাভাগি করে নেয়। এই ব্যপারে সাঁথিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে