নিয়ামতপুরে প্রতারক সুলতানা ও তার বোন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: জুন ১৫, ২০২১; সময়: ৭:১০ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, নিয়ামতপুর : যুবকদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফাঁদে ফেলে টাকা আদায় করা, তাদের চরিত্র নষ্ট করা, চাঁদাবাজী, ভাড়া বাড়ীতে থেকে ভাড়া না দিয়ে বাড়ীর মালিককে বিভিন্নভাবে হুমকি, চাঁদাদাবীসহ বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত সেই আলোচিত নারী সুলতানা বেগম (২৬) শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার হলেন, সাথে তার বোন সেমি আক্তার (২৭)।

ভুক্তভোগী এক নিরীহ স্কুল শিক্ষক বাড়ীর মালিকের থানায় লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৪ জুন সোমবার সন্ধ্যায় তাদের গ্রেফতার করে নিয়ামতপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত সুলতানা বেগম, স্বামী- মোঃ আওয়াল ও সেমি আক্তার, স্বামী-মোঃ হাসান সরদার, উভয়ের পিতা- মোঃ দেলোয়ার হোসেন গ্যাফা, উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের ঝাড়ুয়াপাড়া গ্রামের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত মোখলেছুর রহমানের ছেলে কাপাষ্টিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাসুম আল সালেহীন এর বাসায় সুলতানা বেগম ২০ সালে অক্টোবর মাসে ৩ হাজার ৫শ টাকা চুক্তিতে ভাড়াটিয়া হিসাবে উঠেন। শুরু থেকে অদ্যবধি বাড়ীর মালিক মাসুম আল সালেহীনকে কোন ভাড়া পরিশোধ করেন নাই। বার বার ভাড়া চাইতে গেলে উল্টো তাকেই অপমান করে। শুধু তাই নয় উল্টো বাড়ীর মালিকের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। না দিলে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করেন।

সুলতানা বেগমের বিরুদ্ধে এলাকায় দেহ ব্যবসাসহ যুব সমাজকে নষ্ট করার অনেক অভিযোগ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করায় এলাকার সুশীল সমাজে স্বাস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার সুশীল সমাজের দাবী তাকে শুধু গ্রেফতার করলেই হবে না, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে উড়তি বয়সের কিশোর ও যুব সমাজ নষ্ট হতে না পারে।

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইন চার্জ হুমায়ন কবির বলেন, এই দুই নারী এলাকার উড়তি বয়সের কিশোর ও যুব সমাজকে একেবারে নষ্ট করে দিচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পেলেও প্রমানের অভাবে বা কোন অভিযোগ না পাওয়ায় তাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারিনি। এবার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় আমরা দ্রুত তাকে ও তার বোনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে