সিরাজগঞ্জে চাঁদা না দেয়ায় দোকান-বাড়িঘর ভাঙচুর, পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশিত: মে ২৯, ২০২১; সময়: ৫:২০ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জে দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় দোকানপাট, বাড়িঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাট করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার পুঠিয়াবাড়ী মহল্লার মৃত আক্তার সেখের ছেলে সেলিম রেজার বাড়ীসহ প্রায় ১৫টি বাড়িতে ভাঙচুর ও মালামাল লুটপাটের এ ঘটনা ঘটেছে। এরপর থেকেই ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ।

ক্ষতিগ্রস্ত সেলিম রেজা অভিযোগ করে জানান, গত ২০ মে ধানবান্ধি মহল্লার বিশা সেখের ছেলে সানু, পুঠিয়াবাড়ী মহল্লার মোমিন ও মতিন গংরা আমার নিকট বিভিন্নভাবে চাঁদার টাকা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেয়ার আমাদের উপর এলোপাতাড়ি মারপিট ও ভাংচুর করে। এই ঘটনায় আমার মা বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

সেই মামলায় গত শুক্রবার রাতে সানুকে গ্রেপ্তারের পর তার ছোট ভাই শামীম, পুঠিয়াবাড়ী মহল্লার মোমিন ও মতিন গংরা দলবল নিয়ে আমার এবং বড়ভাই শফি ও ছোট ভাই হাবুসহ আমাদের ১৫টি বাড়িতে ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এসময় আমার বাড়ির ৩টি টিভি, ৩টি ফ্রিজ ভাংচুর, আলমারী ভেঙ্গে নগদ প্রায় ৫ লাখ টাকা, মসজিদের ক্যাশের ৭০ হাজার টাকা, সোনার গহনা, ছোট ভাইয়ের ৪টি অটোরিকশা, ১টি টিভি, নগদ ১ লাখ টাকা ও দোকানের আটা, ভুঁষির বস্তা লুট করে নিয়ে যায়। এতে আমাদের প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আমরা এখন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছি। এ ঘটনায় আমরা সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি।

তিনি আরো বলেন, সানু গংরা এখন আমাদের নানাভাবে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করছে। আমাদের এলাকায় পুরুষ শূণ্য হওয়ায় ঘটনাস্থলে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সানু গংদের ভয়ে আমরা এবং পুঠিয়াবাড়ী মহল্লার প্রায় লোক আসবাবপত্র নিয়ে অন্য স্থানে চলে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে সদর থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, রাতে ভাংচুরের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। ঐ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে