বাঁচতে চায় পাপ্পু

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২১; সময়: ১২:৫২ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাবা-মায়ের বড় সন্তান পাপ্পু। বাড়ী নওগাঁ জেলায়। পড়াশোনা রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রী কলেজে। আর একটি বছর গেলেই অনার্স শেষ হবে।

এ ছিলো গত বছরের একেবারে শুরুর দিকের কথা। তারপর হানা দিলো মরণঘাতী করোনা। করোনা চলাকালীন সময়েই ২০২০ সালের ২৮শে নভেম্বর বায়োপ্সি পরীক্ষায় ধরা পড়লো ক্যান্সার। স্বাভাবিক জীবনে আকস্মিকভাবে আঘাত হানলো রেক্টাম ক্যান্সার।

পাপ্পুর বাবা নারায়ণ মণ্ডল নিজের ভিটেমাটি বিক্রি করে অপারেশনের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমান ভারতে। কিন্তু অপারেশনের পূর্বে করোনা টেস্টে পজিটিভ আসার কারণে পিছিয়ে যায় অপারেশন। শেষে অপারেশন হয় এপ্রিলের ৭ তারিখে। কিন্তু অপারেশনের পূর্বেই ক্যান্সারাস টিউমার ফেটে যায়।

এ পর্যন্ত চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হয়েছে ১৩ লক্ষ টাকারও বেশি। অপারেশনের ফলে কেটে ফেলতে হয়েছে পাপ্পুর মলদ্বার।এখন থেকে তাকে আজীবন বয়ে বেড়াতে বিকল্প ব্যাগ, যা প্রতি সপ্তাহে পাল্টাতে হবে। প্রতিমাসে খরচ ৮ হাজার টাকা।

অর্থের অভাবে ভারতে চিকিৎসা চালানো সম্ভব না হওয়ায় তাকে দেশে আসতে হয়। দেহের ভিতরে ক্যান্সার কোষ থেকে যাবার কারণে কেমো দিতে হবে ১২টি। প্রতি কেমোর খরচ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার টাকা। কেমো ও রিপোর্ট বাবদ প্রয়োজন ৪ লক্ষ টাকা।

এ বিপুল পরিমাণ ব্যয় মেটানো পাপ্পুর কৃষক বাবার পক্ষে কোন ভাবেই সম্ভব না। জমিজমা বিক্রি করে এতদিন চালিয়ে এসেছেন। বর্তমানে পাপ্পু খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা নিচ্ছে।

পাপ্পু বাঁচতে চায়। প্রয়োজন আপনাদের দোয়া, ভালোবাসা আর্থিক সহযোগীতা।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক একাউন্ট- 1351050147763, এনারবিসি ব্যাংক একাউন্ট- 012239100001324, রকেট- 01778-8811591, বিকাশ- 01303-010059, পাপ্পুর বাবার মোবাইল নং- 01742-190601.

  • 270
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে