পশ্চিম সহদেবপুর ইউপি নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে চান আলমগীর

প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২১; সময়: ৯:২০ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, কচুয়া : চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের একক মনোনয়ন প্রত্যাশী, তরুণ সমাজসেবক ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আলমগীর হোসেন। ইউপি নির্বাচনকে সামনে ইতিমধ্যে ইউনিয়নব্যাপি প্রচার-প্রচরাণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কি কি কাজ করবেন তারও নানান প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন জনসাধারণের কাছে। ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করায় এবং ইউনিয়নবাসীর জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করায় ইউনিয়নজুড়ে তার ব্যাপক পরিচিতি ও সুনাম রয়েছে।

মো. আলমগীর হোসেন বলেন, শুধুমাত্র আওয়ামী লীগ করার অপরাধে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে বহু হামলার শিকার হয়ে নির্যাতন হয়েছি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে জুলুম-নির্যাতন, নিজ কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে চাকরিচ্যুতির নির্যাতন ভোগ করি। এত কিছুর পরও দলকে ভালবেসে এবং নেতাকর্মীদের পাশে রয়েছি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দল ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করলে আমার বিশ্বাস আমি নৌকার মনোনয়ন পাবো।

তিনি আরো বলেন, কচুয়াকে একটি অবহেলিত অঞ্চল থেকে দেশের অন্যতম উপজেলায় রূপ দিয়েছেন জননেতা ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপি। আমি তাঁর ক্ষুদ্র একজন কর্মী হিসেবে আমার ইউনিয়নকে ঢেলে সাজাতে সকলের সহযোগিতা চাই।

তিনি বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে জীবনে কিছুই চাইনি। তাই আমি আমার জীবনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নে একটি স্বপ্নময় সুন্দর ইউনিয়ন গঠন করতে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা চাই।

তিনি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সাথে বিভিন্নভাবে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে নিজের দীর্র্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল ইউনিয়ন গঠনে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

রাজনৈতিক পরিচয় : কচুয়া উপজেলার বাগমারা গ্রামের অধিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক মৃত. মো: কালু মিয়া প্রধানের সন্তান মো. আলমগীর হোসেন। বর্তমানে তিনি ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি ১৯৯২ সালে জয়বাংলা স্লোগানের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পাশাপাশি বিগত ২৮ বছর যাবত ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন।

মো. আলমগীর হোসেনের এর পরিবার স্বাধীনতার পর থেকে মনেপ্রাণে আওয়ামী লীগের চেতনাকে ধারণ করে দলের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করছেন। বিগত দিনে তার পরিবারের একাধিক সদস্য আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সাংগঠনিক শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন।

তিনি কচুয়া উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন আহ্বায়ক, ৫নং পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, কচুয়া বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রলীগের বাণিজ্য বিভাগের আহ্বায়ক ও নন্দনপুর ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়াও তিনি বাগমারা বায়তুল মামুর জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক, বাগমারা ফোরকানিয়া মাদ্রাসার সভাপতি-সহ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে জড়িত রয়েছেন এবং সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

মো. আলমগীর হোসেন বলেন, এই ইউনিয়নে যতজন সম্ভাব্য প্রার্থী রয়েছেন আমার বিশ^াস বিগত দিনের রাজনৈতিক কর্মকান্ড বিবেচনা করলে আমি দলীয় মনোনয়ন পাব। নৌকা প্রতীকে মনোনয়ন পেলে বিজয়ী হলে সকলকে নিয়ে স্বপ্নের ইউনিয়ন গঠনে কাজ করব।

  • 40
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে