এনায়েতপুরে হত্যা মামলায় সাবেক মন্ত্রীর ভাতিজা আটক

প্রকাশিত: এপ্রিল ৩, ২০২১; সময়: ৪:৩২ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জে এনায়েতেপুর থানার সদিয়া চাঁদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী নান্নু বিশ্বাসকে আটক করেছে পুলিশ। সে বেলকুচি উপজেলার মেঘুল্লা গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদ বিশ্বাসের ছেলে এবং সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ভাতিজা। এদিকে নান্নু বিশ্বাসকে দিয়ে এ মামলায় মোট ৭জন আসামীকে আটক করা হলো।

এনায়েতপুর থানার ওসি আতাউর রহমান জানান, সদিয়াচাঁদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলনের অদুরে দলের দু পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় আজগড়ার আব্দুল জলিলকে খুনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামী নান্নু বিশ্বাস শনিবার দুপুরে আজগড়া এলাকায় অবস্থান করছে এমন সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আসামীকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।

পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, গত ২৪ মার্চ থানার বেতিল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে মাঠে দিন ব্যাপী সদিয়াচাঁদপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রী-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমার্ধে আলোচনা সভা শেষে বিকেলে স্থানীয় সাংসদ মমিন মন্ডল ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি পদে সাবেক সভাপতি সিরাজুল আলমকে হারিয়ে শাহাদত হোসেন তালুকদার ও সাধারন সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনিকে হারিয়ে বুদ্দু মিয়া বিজয়ী হচ্ছে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রার্থী দ্বয়ের সমর্থকদের মধ্যে সম্মেলন স্থলের বাইরে ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরন ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরই এক পর্যায়ে উরুতে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আজগড়া জামাত মোড় এলাকার পথচারী আব্দুল জলিলের মৃত্যু হয়। এছাড়া উভয় পক্ষের আহত হয় আরো কয়েকজন।

এ ঘটনায় ২৬ মার্চ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ বিশ্বাসের ভাতিজা নান্নু বিশ্বাসকে প্রধান সহ ৭২ জনের নাম উল্লেখ করে নিহত আব্দুল জলিলের চাচা শ্বশুর দৌলতপুর আঞ্চলিক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর পুলিশ ৬ জন আসামীকে আটক করে।

  • 67
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে