তাড়াশে ১২০ ফুট পাইপ বসিয়েও মিলছেনা সেচের পানি

প্রকাশিত: মার্চ ১৪, ২০২১; সময়: ৩:২৬ pm |

নূর ইসলাম রোমান, তাড়াশ : সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। এ কারণে বোরো চাষিরা ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত মাটি গর্ত করে শ্যালো মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করে যাচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়ন, মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন ও সগুনা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ মাঠে বোরো আবাদের জমিতে দেখা যায়, অনেক বোরো চাষি গভীর নলকূপ স্থাপনের পরও জমিতে সেচ কাজে আশানুরূপ পানি পাচ্ছে না। তারা গর্তের মধ্যে মেশিন বসিয়ে পানি তোলার চেষ্টা করছে। শুধু ফসলের মাঠে নয়, সগুনা ইউনিয়নের ভেটুয়া গ্রাম ও চরকুশাবাড়ি, নওগাঁ ইউনিয়নের মহেষ রৌহালী ও বিরৌহালী এবং মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের মাগুড়া গ্রাম ও ঘরগ্রাম, দবিলাসহ বেশিরভাগ গ্রামে নলকূপ দিয়ে পানি পেতে সমস্যা হচ্ছে। লোকজন বাড়ির আঙিনার ১৮ থেকে ২০ ফুট নিচে গভীর নলকূপ বসিয়ে পানির ব্যবস্থা করছে।

ভুক্তভোগী বোরো চাষি আরমান আলী, ইয়াকুব আলী, কাজেম উদ্দিন, সামছুল হক ও কাদের হোসেন বলেন, ‘৯০ থেকে ১২০ ফুট গভীরে পাইপ বসিয়েও সেচ কাজের জন্য ঠিকমতো পানি পাওয়া যাচ্ছেনা। শ্যালো মেশিনে পানি কম ওঠায় বোরো চাষাবাদে জ্বালানি খরচ বেড়ে গেছে। সেচ কাজে সময় বেশি লাগছে। বসতবাড়িতে পানি সমস্যায় নলকূপ আলাদা আলাদা স্থানে স্থাপন করে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। উপজেলা বিএডিসির উপ-সহকারী প্রকৌশলী ও উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব মো. ইমাম হোসেন বলেন, ‘চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়ে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আরও নিচে নেমে যেতে পারে।’

এ প্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লুৎফুননাহার লুনা পদ্মাটাইমসকে বলেন, ‘চলনবিলের নদী, ডোবা, নালা ও খালে পানি থাকলে বোরো চাষিদের সেচ কাজে অসুবিধা হতো না। অতিবৃষ্টি হলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কিছুটা ওপরে উঠবে। নয়তো বর্ষা মৌসুম শুরুর আগে কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।

  • 13
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে