আত্রাইয়ের পতিসরে “রবীন্দ্র ক্যান্সার সেন্টার এ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট” হচ্ছে

প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২১; সময়: ৩:৪৬ pm |

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই : অবশেষে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিধন্য নওগাঁর রবিতীর্থ পতিসরে ‘রবীন্দ্র ক্যান্সার সেন্টার এ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত করা হয়েছে। নওগাঁর কৃতি সন্তান জার্মানির কোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের সবেক ডিন প্রফেসর ড. গোলাম আবু জাকারিয়া “আলোর ভুবন কল্যান ট্রাষ্ট নামক এক দাতব্য প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান। এই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে পতিসরে এমন প্রতিষ্ঠান স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষে প্রফেসর ড. গোলাম আবু জাকারিয়াকে চেয়ারম্যান ও রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রাহক ও গবেষক এম মতিউর রহমান মামুনকে সদস্য সচিব করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি নির্বাহী পরিচালনা পর্ষদ এবং নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মো: আনোয়ার হোসেন হেলালকে প্রধান উপদেষ্টা করে নয় সদস্যর উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

সম্প্রতি আলোর ভুবন কল্যান ট্রাষ্টের সাধারণ সম্পাদক ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. হাসিন অনুপমা আজহারীসহ পাঁচ সদস্যর একটি প্রতিনিধি দল নওগাঁ জেলা প্রশাসক হারুনÑঅরÑরশীদের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে পতিসর “রবীন্দ্র ক্যান্সার সেন্টার এ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ এর জন্য সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন।

এম মতিউর রহমান মামুন জানান আলোর ভুবন কল্যান ট্রাষ্টের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. অনুপমা আজহারী পতিসরে এসে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। জার্মানির কোলন থেকে মুঠোফনে ক্যান্সার বিজ্ঞানী অধ্যাপক জাকারিয়া জানিয়েছেন অনেক দিন আগে রবীন্দ্রস্মৃতি সংগ্রাহক ও গবেষক এম মতিউর রহমান এমন একটি আবেদন করেছিলেন, তার আবেদনের যৌক্তিকতা বিবেচনা করে ক্যান্সার সেন্টার এ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউট পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কেননা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের পতিসরের অল্প আয়ের স্বল্পশিক্ষিত হতদরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্য যা করেছেন তার মূল্যায়ন দুই বাংলার কোথাও হয়নি বললেই চলে। তা রয়েছে অনেকটা গবেষণার বাইরেও। কবির স্মরণে করা হয়নি কোন হাসপাতাল কিম্বা চিকিৎসা কেন্দ্র অথচ পতিসরে কবিগুরু স্থাপন করেছিলেন দাতব্য চিকিৎসালয়। পতিসরে গ্রথম কবির নামে ক্যান্সার সেন্টার এ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউট স্থাপনে বিশাল জনগোষ্ঠীর ক্যান্সার চিকিৎসার পথ সুগম হবে।

মামুন আরো জানান, প্রাথমিক ভাবে ক্যান্সার চিহ্নিতকরণ, চিকিৎসা, গবেষণা করা যাবে এ প্রতিষ্ঠানে। অতি দ্রুত ইনস্টিটিউট স্থাপনের কাজ শুরু করা হবে।

  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে