সিরাজগঞ্জে বাচ্চা চুরি যাওয়ার ৪ ঘন্টার পুলিশের অভিযানে উদ্ধার

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২১; সময়: ৯:০২ pm |
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জ কামারখন্দ উপজেলায় ২৩ দিনের বাচ্চা চুরির ঘটনায় পুলিশের অভিযানে ৪ ঘন্টা পর বাচ্চা উদ্ধার ও দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। চুরি যাওয়া বাচ্চা উপজেলার বাড়াকান্দি গ্রামের শহিদুল ইসলাম ও ফরিদা বেগম দম্পত্তির ছেলে। শনিবার (৬ মার্চ) দুপুর বারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
চুরি যাওয়া বাচ্চার মা ফরিদা বেগম জানান, আমি আমার বাচ্চাকে ঘরে রেখে বাড়ির বাহিরে কাজে ব্যস্ত ছিলাম। কিছুক্ষণ পর ঘরে গিয়ে আমার বাচ্চাকে না পেয়ে খোঁজা শুরু করি। আশে পাশের বাড়িতে খঁুজে না পেয়ে পরে কামারখন্দ থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে, এম রাকিবুল হুদা জানান, বাচ্চা হারানোর বিষয়ে থানায় অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করে খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বাচ্চা উদ্ধার ও রানী নামে এক মহিলাকে আটক করা হয়েছে।
এঘটনা নিয়ে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার হাসিুবল আলম জানান. বাচ্চা চুরির ঘটনা কামারখন্দ থানার অফিসার ইনচার্জ আমাকে অবগত করলে সাথে সাথে জেলার সকল থানায় জোড়ালে চেকপোস্ট বসিয়ে চেক করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। স্থানীয় এক মহিলার প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে রানী নামের এক মহিলাকে আভিসিনা এলাকা থেকে বাচ্চা সহ তাকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রানীর বাচ্চা না হওয়ার কারণে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে জানায় পুলিশকে। আমরা এঘটনায় ৫জনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছি।
উল্লেখ্য এর আগেও ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসা নিতে আসা মাহিম নামের ২৯ দিন বয়সী একটি শিশু চুরির ঘটনা ঘটে। এর ঠিক চারদিন পর ২৭ ফেব্রুয়ারি হাটিকুমরুল গোল চত্বরের শাখাওয়াত এইচ মেমোরিয়াল হাসপাতাল থেকে সামিউল নামে একদিন বয়সী নবজাতক চুরি হয়। সেদিন রাতেই সলঙ্গা থানার আলোকদিয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে দুই শিশুর একটিকে জীবিত ও অপরটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দু’টি ঘটনায় আট জনকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
  • 19
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে