পোরশায় বোরো চারার সঙ্গে এ কমন শত্রুতা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২১; সময়: ১:৫৭ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, পোরশা : নওগাঁর পোরশা সোমনগর, দেউপুরা, সুতলী ও ধামানপুর গ্রামের ১৬ জন কৃষকের ২ একর জমিতে বুনানো বোরো ধানের চারা কীটনাশক প্রয়োগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এই চারা দিয়ে প্রায় ২০০বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করা যেত বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

কীটনাশক প্রয়োগের ফলে ওই জমিগুলিতে আর বোরো চাষ করা যাবেনা। আর এতে উপজেলার বোরো ধান উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হতে পারে বলে অনেকে ধারনা করছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, উল্লেখিত চার গ্রামের ১৬ জন কৃষক তাদের জমিতে রোপন করার জন্য প্রায় ২ একর জমিতে ৩০মন বোরো ধানের চারা বোনেন।

চারাগুলি জমিতে রোপনের জন্য তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দুর্বৃত্তরা রাতে চারাগুলিতে কীটনাশক প্রয়োগ করার ফলে সব চারাগুলি পুড়ে ঝলসিয়ে গেছে। স্থানীয় কয়েকজন কৃষক জানান, কীটনাশক প্রয়োগ করে ঝলসিয়ে যাওয়া চারাগুলি জমিতে আর রোপন করা যাবেনা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আব্দুল মালেক শাহ্, মনিব-আল-রাজি মুন্নু, আনারুল সোনার, মজিদ সোনার ও শ্রী

ধীরু উরাও জানান, তারা সহ আরও ১১ জন কৃষক পাশাপাশি গ্রামের হওয়ায় তাদের নিজ জমিতে রোপনের জন্য একই সাথে বোরো চারাগুলি বুনিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা চারাগুলিতে কীটনাশক ছিটিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন। এতে তারা তাদের প্রায় ২০০বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপন করতে পারবেন না।

ফলে তারা কয়েক লক্ষ টাকা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বলে জানান। তারা আরও জানান, তাদের সাথে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এব্যাপােের ১৬ জন কৃষকই সোমবার থানায় অভিযোগ করেছেন বলে তারা জানান। থানা অফিসার ইনচার্জ শফিউল আজম খাঁন অভিযোগ

পাওয়ার কথা স্বীকার করেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান। অপরদিকে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহফুজ আলম জানান, চারায় কীটনাশক প্রয়োগের বিষয়টি তিনি অবগত নন। তিনি জানান, ২ একর জমির চারা রোপন করা যায় প্রায় ১৫০বিঘা বা ২০ হেক্টর জমিতে। ওই ২০ হেক্টর জমিতে ধান রোপন করা না হলে তাদের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা সামান্য

ব্যাহত হতে পারে অথবা বোরো উৎপাদন বেশী হলে লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত নাও হতে পারে। ফলন বেশী না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত জমিতে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত চারা রোপনের সুযোগ রয়েছে।

  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে