নাটোরে বর্নাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালন

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২০; সময়: ৪:০৫ pm |

নিজসব প্রতিবেদক, নাটোর ; নাটোরে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুক্তদিবস পালন করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা। ২১ ডিসেম্বর (সোমবার) সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ব্যানারে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন , মিনিট নিরবতা পালন, মোনাজাত করা হয়। এসময় বক্তৃতা করেন সংরক্ষিত আসনের এমপি রত্না আহমেদ, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি,জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মোর্ত্তুজা আলী বাবরু, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর সারা দেশ বিজয়ের স্বাদ পেলেও দেশের সর্বশেষ অঞ্চল হিসেবে উত্তরের জেলা নাটোর হানাদার মুক্ত হয় ২১ ডিসেম্বর । এই দিন নাটোরের উত্তরা গণভবনে (দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি) ভারতীয় মিত্রবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার রঘুবীর সিং পান্নুর কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার নওয়াব আহমেদ আশরাফ সৈন্য, অস্ত্র তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। ফলে নাটোর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় ২১ ডিসেম্বর।
নাটোরে বর্নাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালন

নিজসব প্রতিবেদক, নাটোর ; নাটোরে বর্নাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুক্তদিবস পালন করেছে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানরা। ২১ ডিসেম্বর (সোমবার) সকালে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের ব্যানারে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের স্বাধীনতা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন , মিনিট নিরবতা পালন, মোনাজাত করা হয়। এসময় বক্তৃতা করেন সংরক্ষিত আসনের এমপি রত্না আহমেদ, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি,জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মোর্ত্তুজা আলী বাবরু, পৌর আওয়ামীলীগ সভাপতি সৈয়দ মোস্তাক আলী মুকুল প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর সারা দেশ বিজয়ের স্বাদ পেলেও দেশের সর্বশেষ অঞ্চল হিসেবে উত্তরের জেলা নাটোর হানাদার মুক্ত হয় ২১ ডিসেম্বর । এই দিন নাটোরের উত্তরা গণভবনে (দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি) ভারতীয় মিত্রবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার রঘুবীর সিং পান্নুর কাছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার নওয়াব আহমেদ আশরাফ সৈন্য, অস্ত্র তুলে দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। ফলে নাটোর পুরোপুরি হানাদার মুক্ত হয় ২১ ডিসেম্বর।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে