বাড়ছে শীত, বাড়ছে দুর্ভোগ

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৫, ২০২০; সময়: ১১:৫৯ am |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জনপদ সিলেটে বেড়েই চলছে শীতের তীব্রতা। প্রতিদিনই কমছে তাপমাত্রা। দিনের বেলায় স্বাভাবিক তাপমাত্রা থাকলেও বিকেল থেকে কমতে শুরু করে।

রাতে তাপমাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে পড়তে থাকে ঘন কুয়াশাও। পাশাপাশি হিমেল হাওয়া শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়েও দিচ্ছে। মৌসুমের শুরুতেই এমন শীতের তীব্রতার কারণে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আর একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিনে রাতে তাপমাত্রা আরও কমবে বলে আবহাওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।

শহরে এখনও তেমন ঠাণ্ডা না পড়লেও গ্রাম এলাকায় শীত পড়েছে বেশি। বিশেষ করে ভারতের মেঘালয় সীমান্ত লাগোয়া জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, জকিগঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলোতে খুব বেশি শীত অনুভুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

কানাইঘাট উপজেলার চতুল মাদানীনগরের বাসিন্দা ফাহিম আহমদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে শীত বেড়েই চলছে। রাতে কুয়াশাও পড়ছে খুব বেশি।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী বলেন, সিলেটে তাপমাত্রা প্রতিদিন কমছে। ফলে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। ডিসেম্বরের শুরুতে তাপমাত্রা আরও কমে আসবে। তখনই পুরোপুরিভাবে শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙেবগ ভিড় বাড়ছে গরম কাপড়ের দোকানেও। শহরের ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণিবিতানগুলোতে শীতবস্ত্র বিক্রি বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ ভিড় করছেন ফুটপাতে।

জিন্দাবাজারের সিটি সেন্টারের ব্যবসায়ী লায়েক বলেন, মৌসুমের শুরুতেই দোকানে শীতবস্ত্র নিয়ে আসি। শীতের তীব্রতা বাড়তে শুরু করায় গরম কাপড় বিক্রি কিছুটা বেড়েছে।

বন্দরবাজারের ফুটপাতে শীতবস্ত্র বিক্রেতা এহসান বলেন, ঠাণ্ডার তীব্রতা যত বাড়ছে, বিক্রিও তত বাড়ছে। ফুটপাতের পোষাকের দোকানগুলোনে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার শীতের পোষাক রয়েছে।

  • 9
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে