আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স আছে, চালক নেই

প্রকাশিত: নভেম্বর ৯, ২০২০; সময়: ১২:৩৭ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, আত্রাই : নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন থেকে এ্যাম্বুলেন্স চালক না থাকায় রোগিরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। উপজেলার আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবার এক মাত্র ভরসাস্থল এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে গড়ে প্রতিদিন ২০০-২৫০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে।

চালক না থাকায় সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট গাড়িতে করে রোগি পরিবহন করতে হচ্ছে। এ কারণে একদিকে রোগির স্বজনা লোকসানের শিকার হচ্ছেন অপরদিকে চরম দুর্ভোগও পোহাতে হচ্ছে। কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রোগী ও উপজেলাবাসী।

আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স চালক মো. আসলাম পাভেজ টিপু গত সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে বদলী হয়ে চলে যান মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। তিনি বদলী হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও এ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নতুন কোন এ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়োগ দেয়া হয়নি। ফলে ওই সময় থেকে পদটি শূন্য রয়েছে। এদিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ দ্রুত চালক নিয়োগের ব্যাপারে জোড়ালো কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এখানে চালক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন।

দীর্ঘদিন থেকে এ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় সরকারী এ্যাম্বুলেন্স পড়ে থেকে অকেজো হয়ে যাবার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতাল হিসেবে জটিল ও গুরুতর রোগিদের প্রতিনিয়ত এখান থেকে স্থানান্তর করা হয় নওগাঁ সদর হাসপাতাল অথবা রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। স্থানান্তরিত রোগিদের পরিবহনের জন্য স্বজনদের ছুটতে হয় প্রাইভেট গাড়ির নিকট। সুযোগ বুঝে তারা সরকারী ভাড়ার তুলনায় অনেক বেশি অর্থ হাতিয়ে নেয় রোগিদের কাছ থেকে। এতে করে রোগিদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ বিষয়ে উপজেলার বিশা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান মোল্লা বলেন, গত কয়েক দিন আগে আমি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে আহতাবস্থায় আত্রাই হাসপাতালে যাই। সেখান থেকে আমাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাজশাহী যাবার জন্য সরকারী এ্যাম্বুলেন্সের চালক না থাকায় প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে প্রাইভেট একটি মাইক্রোবাসে আমাকে যেতে হয়। এতে আমার দুর্ভোগও পোহাতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডা. রোখসানা হ্যাপি বলেন, এ্যাম্বুলেন্সের চালকের পদ শূন্য হওয়ার সাথে সাথে আমি এখানে একজন চালক নিয়োগের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট লিখিত ভাবে জানিয়েছি। এছাড়াও একাধিকবার মৌখিকভাবে আমি তাঁদেরকে জানিয়েছি। তাঁরা নিয়োগ না দিলে আমার করার কিছু নেই।

  • 56
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • প্রেমের টানে মান্দায় এসে শ্রীঘরে যুবক
  • বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভেঙ্গে ফেলা ও উচ্ছেদের হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে নওগাঁয় মানববন্ধন
  • শিবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক আটক
  • ৭ দিন ভাত না খাওয়া ম্যারাডোনা ভক্ত বাবুর শোক পালনের ইতি টানলেন উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক
  • শিবগঞ্জে আওয়ামী লীগের কর্মী সভা
  • বগুড়ার সান্তাহারে ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার
  • অবৈধ বালু উত্তোলন করায় দুই জনের দন্ড
  • বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুরাও সমাজের সম্পদ: সানজিদা ইয়াসমিন
  • আত্রাইয়ে দুই দিন ব্যাপী হরিজন সম্প্রদায়ের কর্মশালার সমাপ্তি
  • খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে শতভাগ মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত
  • নাটোরে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর ফাঁসি
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব এইডস দিবস পালিত
  • নওগাঁয় বিশ্ব এইডস দিবস পালিত
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাংলাদেশ মহিলা আ’লীগ জেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন
  • সংবাদ প্রকাশের পর বন কর্মকর্তার বদলি
  • উপরে