নন্দীগ্রামে নববধুকে হত্যা

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০১৯; সময়: ২:১৬ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক, নন্দীগ্রাম : বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাল্য বিয়ের শিকার এক কিশোরীকে নির্যাতনের পর গলাটিপে হত্যা করেছে তার স্বামী। নিহত ফারজানার একমাস আগে বিয়ে হয়। সোমবার সকালে স্বামীর বাড়ির পার্শ্বে বাঁশঝাড়ে ফারজানার মরদেহ পাওয়া যায়।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের আগাপুর গ্রামের আবুল কালামের কিশোরী মেয়ে ফারজানার (১৫) একমাস আগে বিয়ে হয় পার্শ্ববর্তী পারশুন গ্রামের মঞ্জুরুল ইসলামের ছেলে রকি হোসেনের (১৯) সাথে। বিয়ের সময় ২৫ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা থাকলেও ফারজানার বাবা পরিশোধ করতে পারেনি। এক বছর পর যৌতুকের টাকা দিবে মর্মে ১৫ দিন আগে মেয়েকে স্বামীর বাড়িতে রেখে যায়। সোমবার ভোরে স্বামীর বাড়ির পার্শ্বে বাঁশঝাড়ে ড্রেনের মধ্যে ফারজানার মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় প্রতিবেশীরা।

নিহত ফারজানার পিতা আবুল কালাম বলেন, রকি তাঁর প্রথম স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর ফারজানাকে বিয়ে করে। বিয়ের সময় কথা হয় যৌতুকের ২৫ হাজার টাকা এক বছর পর দেয়ার। তিনি বলেন যৌতুকের টাকা না পেয়েই ফারজানাকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। তবে প্রতিবেশীরা বলেছেন ফারজানা স্বামীর বাড়িতে আসার পর থেকেই পরকীয়া নিয়ে স্বামীর সাথে কলহ দেখা দেয়।

কুমিড়া পন্ডিতপুকুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নূর মোহাম্মদ বলেন, নিহতের গলায় ও গালে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ধারনা করা হচ্ছে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবির জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে