কচুয়ায় জমির আইলে সবজি চাষ করে লাভবান কৃষক

প্রকাশিত: মে ১২, ২০২২; সময়: ৮:৫৩ pm |
খবর > কৃষি

নিজস্ব প্রতিবেদক,কচুয়া : পারিবারিক পৃথকীকরণের কারণে দিন দিন বাংলাদেশের জমিতে আইলের পরিমাণ বাড়ছে। কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও সবজির চাহিদা মেটাতে সম্প্রতি দেশের জমির আইলগুলোকে সবজি চাষের আওতায় আনা হয়েছে।

বর্তমানে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জমির আইলে সবজি চাষ করা হচ্ছে। বিশেষ করে উপজেলার ভূঁইয়ারা,পালাখাল গ্রাম সহ বেশ কয়েকটি এলাকায় জমির আইলে সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা।

জানা যায়, মাঝারি উঁচু ও উঁচু জমির আইলে সারা বছর সবজি চাষ করা যায়। বন্যা বা অতিবৃষ্টিতে ডুবে যায় এমন আইল সবজি চাষের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে মূল ফসল যেমন- ধানের কোনো ক্ষতি হয় না। আইলে যে সব সবজি চাষ করা হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে শিম, বরবটি, ঢেঁড়শ, লাউ, পুঁইশাক, গিমা কলমি, কাঁকরোল, টমেটো, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, কুমড়া, সরিষা ইত্যাদি।

ভূঁইয়ারা গ্রামের কৃষক হুমায়ুন কবির জানান, আবাদি জমির পাশাপাশি জমির আইলে সবজি চাষ করছি। স্বল্প খরচে অনেক লাভবান হওয়া যায়। এবছর আমি ২৪ শতাংশ আবাদি জমির পাশে আইলে বরবটি,শিম,পুইশাকসহ নানা জাতের সবজি চাষাবাদ করেছি। এতে করে আমি এবছর প্রায় ৭৫ হাজার টাকার সবজি বিক্রি করেছি। সামনের দিকে আরো সবজি বিক্রি করার আশা আছে। ভবিষ্যতে আবাদি জমির পাশে আইলে আরো সবজি চাষাবাদ করার আশা রয়েছে ।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি সম্প্রসারন অফিসার অমল চন্দ্র সরকার বলেন, জমির আইলে সবজি চাষ করা এটি একটি ভালো উদ্যোগ। আবাদি জমির পাশাপাশি পতিত জমিতে আইলে সবজি চাষ করা যায়। এতে করে কৃষক তার চাহিদা মেটাতে পারবে এবং অতিরিক্ত সবজি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয়ও করতে পারবে। কোনো কৃষক জমির আইলে সবজি করতে আগ্রহী হলে কৃষি অফিস থেকে সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করা হবে ।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে