তাড়াশে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২২; সময়: ২:৪৩ pm |
খবর > কৃষি

নূর ইসলাম রোমান, তাড়াশ : শষ্যভান্ডার খ্যাত সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আগাম জাতের বোরো ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। ফলনও হয়েছে বাম্পার। এখন কৃষকদের দম ফেলার ফুরসত নেই।

উপজেলায় চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২২হাজার ৩১৫ হেক্টর। কিন্ত লক্ষমাত্রার চেয়ে অর্জিত হয়েছে ২২ হাজার ৩৬০ হেক্টর। সরকারী প্রণোদনা হিসেবে বীজ, সার দেয়াতে কৃষকেরা প্রতিবছর বোরো আবাদে ঝুকছেন বলে মনে করছেন কৃষিবিভাগ।

জানা যায়, উপজেলার আট ইউনিয়নে বিভিন্ন জাতের বোরো ধান আবাদ করা হয়েছে। এরমধ্যে মিনিকেট, ব্রী-২৮, ও কাটারীভোগ ধান কাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। বিঘা প্রতি ২২মণ থেকে ২৫মণ হারে ধান হচ্ছে। তবে কৃষকেরা মনে করেন, অন্যন্য জাতের ধানের ফলন আরো বেশি হবে। কারণ আগাম জাতের চিকন ধান হওয়ায় একটু কম হচ্ছে।

তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের ভোগমান গ্রামের গ্রামের কৃষক জানমাহমুদ জানান, এ বছর ফসলের বাম্পার ফলন হয়েছে। মাঠে মাঠে সোনালীর আলোয় আলোকিত হয়েছে পাকা ধান। ধান কাটার জন্য পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার শ্রমিকেরা আসছেন গৃহস্তের বাড়িতে।

তালম ইউনিয়নের গুল্টা গ্রামের কৃষক আশরাফ আলী বলেন, বারো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম বর্তমানে বেশ ভালো। প্রতিমণ ধান এখন ১০০০ থেকে সাড়ে ১২০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে প্রতিটা হাট বাজারে। যদি আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকে তাহলে এ উপজেলার কৃষকেরা হবে মহানন্দিত।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ লুৎফুন্নাহার লুনা বলেন, তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলে এবার বোরো ধান অনেক ভালো হয়েছে। ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে এখনো পুরোদমে ধান কাটতে এখনো ১৫দিন সময় লাগবে। যে সকল কৃষকেরা সরিষা আবাদ করেনি,তারা আগাম ধান লাগানোয় তাদের ধান কাটা শুরু হয়ে গিয়েছে। ধানের দামও অনেক বেশি।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে