গোদাগাড়ীতে লোকসানের মুখে কুমড়া চাষি মাসুদ রানা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২১; সময়: ৮:৫০ pm |

নিজস্ব প্রতিবেদক : বীজ ভাল না দেওয়ায় লোকসানের মুখে পড়েছেন মিষ্টি কুমড়া চাষি মাসুদ রানা। নগরীর ওমরপুর বীজ ভান্ডার থেকে চারা কিনে কাঙখিত ফল না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এর প্রতিকার চেয়ে ২৮ অক্টোবর গোদাগাড়ী কৃষি অফিসে অভিযোগ হয়েছে।

গত বছর মিষ্টি কুমড়া চাষে ব্যাপক সফলতা পেয়েছিল চাষিরা। তাদের দেখাদেখি মাসুদ রানাও মিস্টি কুমড়া চাষে উদ্যোগী হন। লাভের আশায় বেশি জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে ফলন লোকসানে পড়েছেন তিনি। গাছে ফল আসলেও বড় হয়নি একটিও। সর্বোচ্চ একটি কমুড়ার ওজন আধা কেজি। চাষির মুখে হাসি নেই।

এবারে নিম্নমানের চারা হওয়ায় লাভতো দুরের কথা লাখ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে কুমড়া চাষি মাসুদ রানাকে। তার দেয়া কৃষি অফিসে অভিযোগ থেকে জানা গেছে, উমরপুর বীজ ভান্ডারে মিস্টি কুমড়ার চারা কিনতে যান। বীজ ভান্ডারের মালিক শহিদুল ইসলাম মাসুদ রানাকে জানান, বর্তমানে ইস্পাহানি কোম্পানীর হাইব্রিড মিস্টি কুমড়ার চারা উন্নত। কম সময়ে বেশী ফলন হবে এবং প্রতিটি কুমড়ার ওজন হবে ৩ কেজি থেকে ৫ কেজি।

বীজ ভান্ডারের মালিক শহিদুল ইসলামের কথামত মাসুদ রানা প্রায় সাড়ে তিন হাজার চারা কিনেন। সেই চারা জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের বামনাইল গ্রামের মাঠে দুই একর জমিতে রোপণ করেন। চারা রোপণের ৭০ দিন পার হলেও ফুল ও ফল তেমন একটা হয়নি। আবার যেগুলো হয়েছে সেগুলো বড় হচ্ছে না। দোকানদারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পাঁচ কেজি ওজনের কথা থাকলেও একটি কুমড়াও আধা কেজির বেশী হয়নি। অথচ কৃষি অফিস ও অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিয়েই মিস্টি কুমড়ার ক্ষেতে সময়মত যত্ন নেওয়া হয়েছে। উক্ত ক্ষেত পরিদর্শন করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে মাসুদ রানা কৃষি অফিসে অভিযোগ করেছেন।

এব্যাপারে উমরপুর বীজ ভান্ডারের মালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, জমির মালিক বিষয়টি তাকে জানিয়েছেন। তিনি কোম্পানীকে তা জানিয়েছেন। কোম্পানীর কর্মকর্তা আগামী সপ্তাহে জমি পরিদর্শন করে বিষয়টির সমাধান করবেন বলে জানিয়েছেন। ৬০ থেকে ৬৫ দিনের মাথায় চাষিরা মিষ্টি কুমড়া বাজারজাত করতে পারেন।

 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে