বাম্পার ফলনের আশা, তবুও দাম নিয়ে শস্কায় কৃষক

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৩, ২০১৯; সময়: ১১:৫২ pm |

আসাদুজ্জামান মিঠু : রাজশাহীসহ বরেন্দ্র অঞ্চল জুড়ে চলছে আমনের ভরা মৌসুম। পাকা ধানে ভরপুর হয়ে উঠেছে পুরো মাঠ। অগ্রাহণ মাস না পড়তেই বরেন্দ্র অঞ্চলে জুড়ে আমন কাটা-মাড়ার মহা উৎসব শুরু হয়েছে। কৃষিশ্রমিকেরা এখন সোনালী ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দিন রাত মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

প্রতিকুল আবহাওয়া থাকায় অন্য সব বছরের চেয়ে চলতি মৌসুমে মাঠে মাঠে আমন ধানের মাথা ভাল রয়েছে। ফলে এবার আমনের বাম্পার ফলের আশা করছেন কৃষকেরা। তবে,বাম্পার ফলন হলেও দাম নিয়ে শঙ্কায় এখনও রয়েছে কৃষকদের মধ্যে।

যদিও এর মধ্যে সরকার আমন ধানের দাম নির্ধারণ করেছেন। সরকারের ঘোষনা অনুযায়ী চলতি মৌসুমে আমন ধান প্রতি মণ (৪০ কেজি ) ধানের দাম ১০২০ করে কেনবে সরকার। সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয় করা হবে জানান খাদ্যমন্ত্রী।

সরকারের দান নির্ধারণে আস্তা রাখতে পাছেনা বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকেরা। বরেন্দ্রে কৃষকেরা জানান,চলতি বোরো মৌসুমে সরকার একই দাম নির্ধারণ করলেও কৃষকেরা সে সুফল একেবারে পাইনি। ধানের বাজার পুরোটাই চলে গিয়েছিল সিন্ডিকের দখলে। যার কারণে বোরো ধান বিক্রি করে কৃষকদের উৎপাদন খরচই তুলতে পারেনি। এবার সে শঙ্কা করছেন কৃষকেরা।

চলতি মৌসুমে রাজশাহী জেলায় আমনের লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ৭০ হাজার ২২৪ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও রাজশাহী অঞ্চলের,রাজশাহী,নঁওগা,নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আমন চাষাবাদ হয়েছে আরো ৩ লক্ষ্য ৫০ হাজার হেক্টরের উপরে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা চাদন্দালায় গ্রামের কৃষক তসিকুল ইসলাম জানান, চলতি আমন মৌসুমে ১২ বিঘা জমিতে একান্ন জাতের ধান চাষাবাদ করেছেন। ধান কাটা- শুরু করেছেন তিনি। ধানের মাথা ভাল থাকায় এবার বাম্পার ফলনের আশা তার। তবে,সরকারের নির্ধারিত মূল্য পাওয়া নিয়ে শঙ্কা আছে তার।
তানোর উপজেলার প্রকাশনগর গ্রামের কৃষক সাহিন বলেন,চলতি মৌসুমে ৪০ বিঘা জমিতে আমন চাষাবাদ করেছেন তিনি। এরি মধ্যে তার ১৮ থেকে ২০ বিঘা ধান কাটা শেষ হয়েছে। প্রতিকুল আবহাওয়া থাকায় তার ক্ষেতে ধান অন্য সব বছরের চেয়ে বেশ ভাল আছে। বাম্পার ফলনও হবে আশা তার। কিন্ত বাজারে ধানের দান পাওয়া নিয়ে চিন্তায় রয়েছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন,সরকার বোরো ধানের মুল্য ঠিক করে দিয়েছিলেন। এবার প্রভাব বাজারে আসেনি। কৃষকেরা সে সুফল না পাওয়া অনেকে বড় লোকসানে পড়ে গিয়েছিল। তাই সরকারে দাম ঘোষনা করা হলেও কৃষকেরা খুশি হতে পারছেনা।

রাজশাহীর তানোর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সমসের আলী জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার বরেন্দ্র অঞ্চলে আমন ধানের মাথা ভালই আছে। বাম্পার ফলন হবে আশা করা হচ্ছে। তবে দান নিয়ে তিনি বলেন,সরকারে দান নির্ধারণ করাই কৃষকদের জন্য সুফল বয়ে আনবে। কৃষকদের একটু ধয্য ধরে ধান বিক্রয় করার পরামর্শ দেন তিন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • রাজশাহীতে ৮ বছরের শিশুর নামে শ্রম আদালতে মামলা
  • বিফলে রাবির গেস্টহাউসের ১০ কোটি টাকা
  • রাজশাহীতে দণ্ডিত ২৩ আসামি থাকতে পারছেন বাড়িতে!
  • ফিনসেন নথি: কালো টাকা পাচারে জড়িত এইচএসবিসি, স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড, বার্কলেইস -সহ বিশ্বের শীর্ষ ব্যাংকগুলো
  • রাজশাহীর মৎস্যচাষীদের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা
  • কারা পাবে প্রথম ভ্যাকসিন, কেমন হচ্ছে বিতরণ পরিকল্পনা
  • ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহীর চরাঞ্চলে জ্বলবে আলোর বাতি
  • রাজশাহী আওয়ামী লীগে বাড়ছে অস্থিরতা
  • বাংলাদেশেও করোনার সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের শঙ্কা
  • ভারতীয় যে রানিরা হয়েছিলেন বিশ্বের প্রথম ভ্যাকসিনের মডেল
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ.লীগে সভাপতির পরিবারেই ৮ পদ (তালিকাসহ)
  • মেয়র লিটনের দুই বছরে আলোকিত সিটি পেয়েছেন নগরবাসী
  • রাজশাহীতে ঘুরে দাঁড়াতে চায় জাতীয় পার্টি
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প
  • বঞ্চিতদের অভিযোগে আটকে যাচ্ছে তৃণমূলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি
  • উপরে