গোদাগাড়ীতে আমন ধানে পচন, ফুদকি পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক

প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০১৯; সময়: ১২:০১ অপরাহ্ণ |

মুক্তার হোসেন, গোদাগাড়ী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে আমন ধানে খোল পচাঁ ও বাদামী ফড়িং (ফুদকি) পোকার আক্রমণে দিশেহারা কৃষক। সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আমন ক্ষেতে গিয়ে দেখা গেছে, মাঠের অনেক ধান ক্ষেত কারেন্ট পোকার আক্রমনে পুড়ে যাচ্ছে।

মাঠে গিয়ে দেখা যায়, আমন ধান গাছগুলো আগুনে যেন ঝলসে চুপষে গেছে। এতে করে আমন ধানের ফলন কমে যাওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। কৃষকরা জানান, ধান ক্ষেতের মড়ক প্রতিরোধ করতে না পারলে আমরা চরম ক্ষতির সম্মখীন হতে হবে। বাজারের কীটনাশক ব্যবহার করেও কোন ফল পাওয়া যাচ্ছে না। আমন চারার গোড়াই পচন রোগ ও ধান গাছের বিভিন্ন অংশে বাদামী ফড়িংয়ের আক্রমন দেখা পর থেকেই কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। কিন্তু খোল পচা রোগ ও বাদামী ফড়িং পোকা দমন হচ্ছে না। গোদাগাড়ী পৌর এলাকার শ্রী কৃঞ্চ পুরের কৃষক আজাহার উদ্দীন ১০ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছে। এরমধ্য ৮বিঘা জমিতে রোপনকৃত ব্রি ৫১ ধানে বাদামী ফড়িং পোকা আক্রমন করেছে। কীটনাশক ব্যবহার করে পোকা দমন হচ্ছে না। কৃষক আজাহার উদ্দীন বলেন গত চার সপ্তাহ আগে আমনে পোকা দেখা দিলেও কৃষি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের পাওয়া না যাওয়ায় বিক্রেতাদের পরামর্শ অনুযায়ী জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করে কোন কাজ হচ্ছে না।

উপজেলার আইহাই রাহীর কৃষক এনামুল বলেন, ধান গাছের গোড়াই পচনে লালচে হয়ে ধানের চারা নষ্ট হচ্ছে। এছাড়াও ধান গাছের বিভিন্ন অংশে বাদামী ফড়িং পোকার আক্রমনের কারণে গাছের চারার রস কমে গিয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। এসব আমন ধানের গাছে বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি ব্যবহার ও কীটনাশক স্প্রে করে লাভ না হওয়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। চলতি মৌসুমে গোদাগাড়ী উপজেলায় আমনের চাষ হয়েছে ২৪ হাজার ৩১০ হেক্টও জমিতে। গোদাগাড়ী কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, পোকা দমনে কৃষকদের বিভিন্নভাবে পরামর্শ ও সহযোগিতা করছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে