‘শকুন্তলা’র ট্রেইলার চলাকালে অঝোরে কাঁদছিলেন সামান্থা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৩; সময়: ৩:৪১ pm |
খবর > বিনোদন
‘শকুন্তলা’র ট্রেইলার চলাকালে অঝোরে কাঁদছিলেন সামান্থা

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। ‘শকুন্তলম’ সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ অনুষ্ঠানে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বড় পর্দায় যখন ট্রেইলার চলেছে, সামান্থা তখন আঝোরে কাঁদছিলেন।

কেন কাঁদছিলেন সামান্থা? এ অভিনেত্রীর উত্তর, ‘জীবনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত পেরোতে হয়েছে, অনেক কষ্ট পেয়েছি।’

তবে হতোদ্যম হতে রাজি নন তিনি। সামান্থার কথা হল, ‘জীবনে যাই ঘটে যাক না কেন, সিনেমার প্রতি ভালোবাসা সবসময় অটুট, একমাত্র সিনেমাই আমার সেই ভালোবাসা একশ গুণ করে ফিরিয়ে দিতে পারে।’

ভারতীয় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের চলচ্চিত্রায়নে শকুন্তলা হয়েছেন সামান্থা, দুষ্মন্ত হয়েছেন দেব মোহন। সিনেমাটি মুক্তি পাবে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি। তার আগে সোমবার হায়দ্রাবাদে এক অনুষ্ঠানে ‘শকুন্তলম’ সিনেমার ট্রেইলার প্রকাশ করা হয়।

সেই অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন মায়োসাইটিসে আক্রান্ত সামান্থা। এই অটোইমিউন রোগ থেকে রেহাই পেতে প্রথমে ভারতে, পরে যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় চিকিৎসা করিয়েছেন তিনি।

মায়োসাইটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেহের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিজের পেশীর ওপরই আক্রমণ চালায়, ফলে পেশী দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাতে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা চালাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে সামান্থাকে। সে কারণে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সামান্থাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি তেমন একটা। পার্টি, শো কিংবা সোশাল মিডিয়া– কোথাও তার দেখা মিলছিল না। পরে জানা যায় তার অসুখের কথা।

ট্রেইলার যখন চলছিল, অঝোরে কাঁদছিলেন ‘শকুন্তলা’ সামান্থা গুণশেখর পরিচালিত ‘শকুন্তলম’ সিনেমায় অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন কবীর বেদী, প্রকাশ রাজ, অদিতি বালন, গৌতমীসহ আরও অনেকে।

এ সিনেমাতেই প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় দেখা যাবে দক্ষিণী তারকা আল্লু অর্জুনের মেয়ে আল্লু আরহাকে, সে শকুন্তলার শৈশবের রূপায়ন ঘটিয়েছে সিনেমায়। ভারতজুড়ে হিন্দি, তামিল, তেলেগু, মালয়ালম ও কন্নড় ভাষায় মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

পরিচালক গুণশেখরকে ধন্যবাদ জানিয়ে সামান্থা বলেন, ‘ভারতীয় সাহিত্যের ইতিহাসে শকুন্তলার গল্প অন্যতম স্মরণীয়। আমাকে এই চরিত্রে বেছে নেওয়ার জন্য আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’

সিনেমাটি দেখে সামান্থার মনে হয়েছে, প্রত্যাশার চেয়েও নিজেকে ছাড়িয়ে যেতে পেরেছেন তিনি।

সামান্থা বলেন, ‘সিনেমাটি দেখে শেষ করে উঠে গুণশেখরের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেছি। আমার বিশ্বাস দর্শকরাও সিনেমাটি নিজের করে নেবেন।’

নায়িকানির্ভর সিনেমাটির নির্মাণকাজ অনেক ব্যয়বহুল ছিল জানিয়ে নির্মাতা গুণশেখর বলেন, ‘সুপারস্টার সামান্থা হতাশ করেননি। কাজের ক্ষেত্রে সে নিজেকে আমার উপরে ছেড়ে দিয়েছিলেন।’

পাশে থাকার জন্য প্রয়োজক দিল রাজুকেও ধন্যবাদ জানান গুণশেখর।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে