রুয়েটের সাবেক উপাচার্যসহ ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২২; সময়: ৯:১৪ pm |
রুয়েটের সাবেক উপাচার্যসহ ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি

নিজস্ব প্রতিবেদক : কাফনের কাপড় পাঠিয়ে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) ৯ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে কাফনের কাপড়সহ চিঠি দিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার ডাকযোগে পাঠােনা হলুদ খামের ভেতর তাদের কাছে ছোট কাফনের কাপড়ের টুকরো পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে শিক্ষক-কর্মকর্তারা ডাক পিয়নের মাধ্যমে এই খাম হাতে পান।

কাফনের কাপড়সহ চিঠি পেয়েছেন যে সব রুয়েটের শিক্ষক-কর্মকর্তারা তারা হলেন, রুয়েটের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম শেখ, রুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মো. ফারুক হোসেন, সহ-সভাপতি ড. জগলুল শাহাদাত, সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক ড. রবিউল আওয়াল, সহকারী পরিচালক মামুনুর রশীদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. সেলিম হোসেন, কম্পট্রোলার নাজিম উদ্দীন আহমেদ, সহকারী প্রকৌশলী হারুন-অর-রশিদ এবং সেকশন অফিসার রাইসুল ইসলাম রোজ। খামের উপর প্রেরকের ঠিকানায় ‘সচেতন নাগরিক সমাজ, রাজশাহী’ লেখা রয়েছে। এছাড়া একটি মোবাইল নাম্বারেরও উল্লেখ রয়েছে। তবে নাম্বারটি কার জানা যায়নি। বুধবার এ ঘটনায় রুয়েট প্রশাসনের পক্ষ থেকে নগরীর মতিহার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৬ ডিসেম্বর জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন কমিটি রুয়েটের বিভিন্ন দপ্তর ও শাখা আকস্মিক পরিদর্শন করে। পরিদর্শনকালে শাখার ডেপুটি রেজিষ্ট্রার শাহ মো. আল রেরুনী ছিলেন না। পরে তিনি এসে কমিটির উদ্দেশ্যে উচ্চ স্বরে আজেবাজে কথা বলেন এবং কটূক্তি করেন। সাময়িকভাবে বরখাস্ত সংস্থাপন ও প্রশাসন শাখার জুনিয়র সেকশন অফিসার মুরাদ হোসেন এবং প্রকৌশল দপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোতাহার হোসেন পরিদর্শন কমিটিকে কটাক্ষ করে কথা বলেন। একপর্যায়ে তারা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে উচ্চ স্বরে বাকবিতণ্ডায় জড়ান এবং কটূক্তি করেন।

ঘটনার পর পরিদর্শন কমিটি রেজুলেশনে এই ঘটনা লিপিবদ্ধ করে। এ ঘটনার জের ধরেই কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষক-কর্মকর্তারা মনে করছেন।

মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান বলেন, হ্যাঁ চিঠি ও কাফনের কাপড় আমি দেখেছি। ছোট ছোট দুটি কাপড় পাঠানো হয়েছে। রুয়েটের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে