রাজশাহীতে যুক্ত হচ্ছে নতুন দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ৯, ২০২২; সময়: ১২:০৭ am |
রাজশাহীতে যুক্ত হচ্ছে নতুন দেড় হাজার কিলোমিটার সড়ক

নিজস্ব প্রতিবেদক : গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাজশাহীজুড়ে নতুন আরও ১ হাজার ৬৯৬ কিলোমিটার সড়ক হচ্ছে। এসব সড়ক নির্মিত হলে রাজশাহী বিভাগের প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদেও ঘুরবে অর্থনীতির চাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আর্থ-সামাজিক উন্নতির জন্য রাজশাহী বিভাগে নতুন এই উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। একই প্রকল্পের মধ্যে ব্রিজ ও কালভার্টও রয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) ‘রাজশাহী বিভাগ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।

বিশেষ করে খামার ও অঞ্চলভিত্তিক কৃষি অর্থনীতিকে আরও সহজতর করা এবং স্কুল ও হাসপাতালের মতো প্রাথমিক সেবা সহজ করতে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে এই প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছে। আগামী অর্থ বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের হলে গ্রামীণ পরিবহন ও বাজার সেবার স্থায়িত্ব বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গ্রামীণ পরিবেশ উন্নয়নে প্রতিবন্ধকতা অনেকাংশে দূর হবে। প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে জীবনযাত্রার মান ও জীবিকার ক্ষেত্র বাড়াতেও অবদান রাখবে।

এলজিইডির রাজশাহী বিভাগীয় অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কেএম জুলফিকার আলী জানান, ১৪০ মিটার সেতুসহ ১৭২ দশমিক ৯ কিলোমিটার উপজেলা সড়ক, ৬৩৬ মিটার সেতুসহ ৩৬৭ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার ইউনিয়ন সড়ক ও ৭৬২টি প্রকল্পের অধীনে পাঁচ বছর মেয়াদি সেতুসহ ১ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক নির্মাণ করছেন তারা।

রাজশাহী, পাবনা, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাটের মোট ৫৮টি উপজেলায় ২ হাজার ৮০ দশমিক ৪০ কোটি টাকার এই বিশাল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রধান প্রকৌশলী জুলফিকার বলেন, প্রকল্পটির আওতায় ২৫০ মিটার স্কুল সংযোগ সড়ক, ৩৯৬ দশমিক ৮৩ মিটার কালভার্ট এবং ৩৩ দশমিক ২৮ কিলোমিটার আরসিসি সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রশস্ত করা হচ্ছে ৩২৭ দশমিক ৫৯ কিলোমিটার রাস্তা। যেখানে ১৭১ দশমিক ৭ কিলোমিটার সড়ক ও ৪০ কিলোমিটার সড়কও মেরামত করা হচ্ছে।

তাছাড়া বিভিন্ন গ্রামীণ বাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ জনপদে উন্নত অবকাঠামো পরিবহন খরচ কমাবে, বিপণন ব্যবস্থার বিকাশ ঘটাবে, কৃষি পণ্যের উৎপাদন ও বিপণন সুবিধা বাড়াবে, যা এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অনেক অবদান রাখবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে