বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেতে উঠেছে চুয়েট

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০২২; সময়: ৩:৫৬ pm |
বিশ্বকাপ উন্মাদনায় মেতে উঠেছে চুয়েট

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ক্যাম্পাস মেতে উঠেছে বিশ্বকাপ উন্মাদনায়।

আবাসিক হলগুলোতে প্রিয় দলের সারি সারি পতাকা, প্রিয় দলের সমর্থকগোষ্ঠীর কমিটি ঘোষণা, ম্যাচ শেষে নিজ নিজ দলের নামে মিছিল, বাঁশির আওয়াজ আর আতশবাজিতে প্রাণ ফিরেছে ১৭১ একরের ক্যাম্পাসে।

আর্জেন্টিনা আর ব্রাজিলের সমর্থক সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও পর্তুগাল আর জার্মানির সমর্থকেরও কমতি নেই ক্যাম্পাসে।

বঙ্গবন্ধু হল, শহীদ মোহাম্মদ শাহ হল, শহীদ তারেক হুদা হল, ড. কুদরাত-এ-খুদা হল, শেখ রাসেল হলে ঝুলছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল আর জার্মানির পতাকা। বাদ যায়নি মেয়েদের আবাসিক হলও।

সুফিয়া কামাল হল এবং শামসেননাহার খান হলের ছাত্রীরাও পতাকা ঝুলিয়ে নিজেদের মতো করে উদ্‌যাপনে মেতেছেন।

শুধু শিক্ষার্থীদের মাঝেই নয় চুয়েটের শিক্ষকদের মাঝেও কমতি নেই এই উন্মাদনার। শিক্ষক ডর্মেটরিতে ঝুলছে পতাকা। একসঙ্গে খেলা দেখা আর নিজেদের প্রিয় দল নিয়ে খুনসুটিতে ছাত্রজীবনকেই যেন ফিরে পেয়েছেন তারা।

গতকাল বুধবার পর্যন্ত হলের টিভিরুমে খেলা দেখার উন্মাদনা থাকলেও তা কিছুটা কমেছে। কারণ চুয়েটের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে একটি বেসরকারি ব্যাংকের সৌজন্যে বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে খেলার দেখার ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

চুয়েট ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, ‘বিশ্বকাপ উন্মাদনায় নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চুয়েট ক্যাম্পাস। একসঙ্গে খেলা দেখা আর মাঝ রাতে আনন্দ মিছিল ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়।

প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন নিয়ে আড্ডা কিছুটা কমে গেলেও বিশ্বকাপ উন্মাদনা কমেনি।’

শহীদ মোহাম্মাদ শাহ হলের তড়িৎ ও তাড়িৎকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মৃন্ময় মোদক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে সব বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে খেলা দেখার যে মজা, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে খুনসুটি খারাপ লাগে না। কোনো দল জিতে গেলে অই দলের সমর্থকের আনন্দ উল্লাস করে যে মিছিল করে, এটা আনন্দ এককথায় অসাধারণ।

কয়েকদিন পর যখন ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে তখন এই ব্যাপারগুলাই মিস করব। আশা করি, আর্জেন্টিনা এই কাপ নিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়দের একজন মেসির বিশ্বকাপ নেয়ার আক্ষেপ পূরণ করবে। ভামোস আর্জেন্টিনা!’

যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসান মিলু বলেন, ‘প্রিয় দল নিয়ে বন্ধুদের মাঝে বাকযুদ্ধ চলছে, কিন্তু বন্ধুত্বের জায়গাটি অটুট। এই সুন্দর মুহুর্তগুলো একমাত্র বিশ্বকাপ সিজনেই সম্ভব।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে