নিশো-মেহজাবিনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৬, ২০২২; সময়: ৩:৩৯ pm |
খবর > বিনোদন
নিশো-মেহজাবিনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : অভিনেতা আফরান নিশো ও মেহজাবিন চৌধুরীসহ ছয়জনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন আদালত।

টিভি নাটকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কে ‘নেতিবাচক’ শব্দ ব্যবহার করার অভিযোগে রিভিশন মামলায় তাদের আদালতে হাজির হওয়ার জন্য এ সমন জারি করা হয়।

বুধবার (১৬ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আছাদুজ্জামান রিভিশন মামলা গ্রহণ করে আসামিদের ২৫ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন।

মামলার অপর আসামিরা হলেন- চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, বার্তাপ্রধান শাইখ সিরাজ, নাটকের চিত্রনাট্যকার মঈনুল সানু ও নাটকের পরিচালক রুবেল হাসান।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল মামুন রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা শুনানিতে মহানগর দায়রা জজ আদালতকে বলেছি যে ম্যাজিস্ট্রেট তার আদেশে বলেছেন নাটকের ডায়ালগে সরাসরি প্রতিবন্ধীদের হেয় করার কোনো বক্তব্য নেই।

অথচ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩ এর ৩৭ ধারায় বলা আছে, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে নেতিবাচক ও ভ্রান্ত ধারণা দিলেই এই অপরাধ হবে। যা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত উপেক্ষা করেছেন এবং তদন্ত কর্মকর্তা নিজেই স্বীকার করেছে বিবাদীরা কাজটি করেছেন, কিন্তু নাটক তৈরির সময় ধারণা ছিল না এটা অপরাধ হবে এবং ফেসবুকে ক্ষমাও চেয়েছেন।

এর মাধ্যমে বোঝা যায়, অপরাধ প্রমাণিত কিন্তু আইনে অজ্ঞতা কখনো অজুহাত হিসেবে গণ্য হয় না এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষমা চাইলে তা আইনের শাস্তি থেকে বাঁচার সুযোগ নেই। আদালত রিভিশন মামলাটি গ্রহণ করে আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। আগামী বছরের ২৫ এপ্রিল সমনের জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন। আমরা আদালতেন আদেশে সন্তুষ্ট।

এর আগে চলতি বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রহমান সিদ্দিকীর কোর্টে প্রতিবেদন দাখিল করে মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআই। গত ৩১ অক্টোবর বাদী নারাজি দিলে আদালত তা নামঞ্জুর করে মামলার দায় হতে আসামিদের অব্যাহতি দেন। এরপর এ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতর রিভিশন মামলা করেন।

চাইল্ড ফাউন্ডেশনের পক্ষে নাবিলা আক্তার মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘ঘটনা সত্য’ নাটকে দেখানো সংলাপে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের বাবা-মা এবং পরিবারকে ‘ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।’

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে