দায় অস্বীকার রাশিয়ার, জি-৭ ও ন্যাটোর জরুরি বৈঠক

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৬, ২০২২; সময়: ১১:১২ am |
দায় অস্বীকার রাশিয়ার, জি-৭ ও ন্যাটোর জরুরি বৈঠক

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ইউক্রেনের পার্শ্ববর্তী দেশ পোল্যান্ডের সীমান্ত গ্রামে একটি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানা গেছে। এতে দুই জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে দেশটি। ক্ষেপণাস্ত্রটি রাশিয়া ছুঁড়েছে বলে মনে করছে পোল্যান্ড। এ ঘটনায় জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটো এবং শিল্পোন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোর জোট জি-৭।

মঙ্গলবার ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পোল্যান্ডের একটি গ্রামে বিস্ফোরণে দুজন নিহত হন। রাশিয়ার ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে ন্যাটো মিত্ররা।

পোল্যান্ডে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বিস্ফোরণের পরই বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন জো বাইডেন। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ছাড়াও বেশ কয়েকটি ন্যাটোভুক্ত দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে বৈঠক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এছাড়াও জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদাও সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

পোল্যান্ডের বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জো বাইডেন বলেন, খুব সম্ভবত রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্রের কারণে পোল্যান্ডে বিস্ফোরণ ঘটেনি। যদিও পোল্যান্ডের দাবি যে ক্ষেপণাস্ত্রের বিস্ফোরণ ঘটেছে, সেগুলো রাশিয়ায় তৈরি হয়েছে।

বাইডেন বলেন, ‘যে প্রাথমিক তথ্য সামনে এসেছে তাতে মনে হচ্ছে না যে এই বিস্ফোরণ রাশিয়ান মিসাইলের কারণে ঘটেছে। তবে আমি এখনই এটা নিয়ে নিশ্চিত কিছু বলতে চাই না। যতক্ষণ না আমরা এই বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন করছি এই বিষয়ে নিশ্চিত কিছু বলা যাবে না। তবে এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ দেখে মনে হচ্ছে না এটা রাশিয়া থেকে ছোড়া হয়েছে।’

পোল্যান্ড সীমান্তে কথিত রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে ‘পরবর্তী করণীয়’ ঠিক করতে ফোনে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও পোলিশ প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ দুদা।

এদিকে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেন সীমান্ত পেরিয়ে পোল্যান্ডের একটি গ্রামে আঘাত হেনেছে বলে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ব্যাপকভাবে যে খবর প্রচার করেছে মস্কো তা কঠোর ভাষায় প্রত্যাখ্যান করেছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন, ‘রাশিয়ার একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র পোল্যান্ডের ভূমিতে আঘাত হেনেছে বলে পোলিশ গণমাধ্যম ও কর্মকর্তারা যে বিবৃতি দিয়েছেন তা ইচ্ছাকৃত উস্কানি ছাড়া আর কিছু নয়। এর উদ্দেশ্য পরিস্থিতিকে আরো উত্তেজনাকর করে তোলা।’ সূত্র-এপি, ইন্ডিপেন্ডেন্ট

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে