আক্কেলপুরে জাল সনদসহ দুই ভূয়া সিকিৎসক গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২২; সময়: ১০:৪৬ am |
আক্কেলপুরে জাল সনদসহ দুই  ভূয়া  সিকিৎসক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জয়পুরহাট : জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলা সদর থেকে চিকিৎসা দেওয়া অবস্থায় রেজিস্ট্রেশন বিহীন ভূয়া দুই চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবার) রাতে ওই দুইজন চিকিৎসককে উপজেলা সদরে অবস্থিত তাদের রোগী দেখার চেম্বার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় সাইনবোর্ড ও তাদের ব্যবহারকৃত লিখার প্যাডে যে সকল ডিগ্রি উল্লেখ করা হয়েছে তার সনদ দেখতে চাইলে তারা দেখাতে পারেন নাই। তবে একজনের নিকট থেকে একটি জাল সনদ উদ্ধার করা হয়। চেম্বার থেকে চিকিৎসা প্রদানের বিভিন্ন ধরনের সরমঞ্জাদিও উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত রেজিস্ট্রেশন বিহীন ভূয়া চিকিৎসকরা হলেন, উপজেলার সোনাই মাগুরা গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে হারুনুর রশিদ (৪১) এবং একই উপজেলার কেশবপুর গ্রামের মৃত রজিব উদ্দিনের ছেলে কায়েম উদ্দিন মন্ডল (৫৮)।
জয়পুরহাট র‌্যাব ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোস্তফা জামান বলেন, কিছুদিন পূর্বে ওই এলাকার বেশ কয়েকজন ভূক্তভোগী ওই দুই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ দেন।

অভিযোগ পেয়ে আমরা গত বৃহস্পতিবার রাতে আক্কেলপুর উপজেলা সদরের কলেজ গেট বাজার এলাকায় ওই দুইজন চিকিৎসকের রোগী দেখার চেম্বারের অভিযান পরিচালনা করি। এ সময় তাদের নিকট থেকে শিক্ষাজীবনের অর্জিত সনদগুলো দেখতে চাইলে এমবিবিএস বা বিডিএস ডিগ্রি অর্জনের বা অন্যান্য কোন অনুমোদিত সার্টিফিকেট দেখাতে পারেন নাই। অথচ সাইনবোর্ড ও লিখার প্যাডে বিভিন্ন ডিগ্রি উল্লেখ করে ভূয়া চিকিৎসক হিসেবে কায়েম উদ্দিন মন্ডল গত ৩২ বছর ধরে চিকিৎসার নামে রোগীদের সাথে প্রতারনা করে আসছেন।

অপরদিকে হারুনুর রশিদ গত ১১ বছর ধরে একজন দন্ত চিকিৎসক হিসেবে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে আইনগত ডিগ্রি ছাড়াই মানুষের দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। যে সকল ডিগ্রি উল্লেখ করে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন, অভিযানের সময় তাদের নিকট থেকে সনদগুলো দেখতে চাইলে তারা দেখাতে পারেন নাই। তবে দন্ত চিকিৎসকের নিকট থেকে একটি জাল সনদ উদ্ধার করা হয়। সাথে চেম্বার থেকে চিকিৎসা প্রদানের বিভিন্ন ধরনের সরমঞ্জাদি উদ্ধারসহ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে আক্কেলপুর থানায় মামলা দায়েরের পর সোপর্দ করা হয়।

আক্কেলপুর থানার ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক ভূয়া দুই ডাক্টারকে থানায় সোপর্দে বিষয় নিশ্চিত করেছেন।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে