চারঘাটে শেষ মুহুর্তে প্রতিমায় রং তুলির আচঁড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২; সময়: ৮:২৭ pm |
চারঘাটে শেষ মুহুর্তে প্রতিমায় রং তুলির আচঁড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কারিগররা

নজরুল ইসলাম বাচ্চু, চারঘাট : রাজশাহীর চারঘাট উপজলোর বভিন্নি এলাকায় শারদীয় দুর্গা উৎসবরে ধুম ধাম শুরু হয়ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মন্ডপে প্রতিমায় তুলির আচঁড়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মালাকাররা।

এ কারনে উপজেলার হিন্দুপাড়ার প্রতিটি মন্দিরে চলছে প্রতিমা তৈরীর কাজ। দম ফেলার সময় নেই প্রতিমা তৈরীর কারিগরদের। মহালয়ের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালী হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দূর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর বোদনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে মূল পূজা যা শেষ হবে ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বির্সজনের মধ্য দিয়ে। চরিাচরতি র্ধমীয় প্রথা অনুযায়ী সারা দেশের ন্যায় আর কদিন পরেই শান্তির বার্তা নিয়ে ভবে অবতরণ করবেন হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গত নাশিনী দেবী দূর্গা।

পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন কুমার কর্মকার ভোরের কাগজ প্রতিবেদককে জানান, এ বছর চারঘাট উপজেলায় ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় প্রায় ৩৯টি মন্ডপে দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছরের তুলনায় এবার মন্ডপে পুজা বেড়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারো সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ডপের জন্য চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বছর উপজেলার পৌরসভায় ৯টি, চারঘাট ইউনিয়ন ৪টি,ইউসুফপুর ৩টি, শলুয়া ইউনিয়ন ৭টি, নিমপাড়া ইউনিয়ন ১০টি, সরদহ ইউনিয়ন ৫টি ও ভায়ালক্ষীপুর ১টি মন্ডপে পুজা উদযাপন হবে। চারঘাট সদরের প্রতিমাশিল্পী বকুল কুমার সাহা জানান, প্রতিমা তৈরী তাদের পৈত্রিক ব্যবসা।

তাই পৈত্রিক ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য তিনি কাজ করছেন। তিনি ও তার ছেলে জিৎ কুমার সাহাসহ ২০টি প্রতিমা গড়ছেন। প্রতি মন্ডপ বিত্রুয় হবে ২০-৬০ হাজার টাকা পর্যন্ত ।

সামাজিক সম্পৃতির উপজেলা চারঘাটে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ বাস করে। কালরে বর্বিতনে অন্যান্য পুজা হারিয়ে গেলওে আজো চারঘাটরে র্দুগাপুজার সুনাম অক্ষুন্ন রয়ছে। পূজা উদযাপন করতে ইতমিধ্যইে বাড়ি বাড়ি জামাই ময়েে নয়িে আসার ধুমধাম শুরু হয়ছে। এছাড়াও প্রতমিা তরৈীর কাজ প্রায় শষেরে দকিে এখন চলছে রং তুলরি কাজ । তার পরইে পুজামন্ডপ গুলো ঢাক ঢোলরে বাজনা আর উলুধ্বনতিে ভরে উঠবে ।

হিন্দু ধর্মের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে পুলিশের পাশাপাশি প্রতিটি পুজা মন্ডপে ২জন নারী ও ২জন পুরুষ আনসার ও ভিডিপি’র সদস্যরাও দ্বায়িত্বে থাকবেন বলে জানান মডেল থানার ওসি মাহবুবুর রহমান । এপ্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন প্রতিটি পুজামন্ডপে ৫০০ কেজি করে সরকারী চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তায় মনিটরিং অব্যহত রয়েছে ও সামাজিক সম্পৃতি মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে