রাবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে মারামারি, শিক্ষক লাঞ্ছিত

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২; সময়: ৯:৪৪ pm |
রাবিতে ফুটবল খেলা নিয়ে মারামারি, শিক্ষক লাঞ্ছিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট (আইবিএ) এবং ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাবিবুর রহমান মাঠে এ মারামারির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আইবিএর শিক্ষার্থীরা ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক মোইজুর রহমানের গায়ে হাত তুলেছেন বলে দাবি করছেন সেই বিভাগের শিক্ষার্থীরা। অপরদিকে ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থীরাই আগে আইবিএর দুইজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছেন বলে দাবি করছেন আইবিএর শিক্ষার্থীরা।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউট এবং ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থীদের আন্তঃবিভাগ ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। পুরো সময়ের খেলা শেষে ফলাফল ড্র হলে রেফারি ট্রাইবেকারের সিদ্ধান্ত নেন। ট্রাইবেকারের শেষ শটকে কেন্দ্র করেই উভয় দলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থী খালাদুর রহমান শুভ বলেন, আজকের খেলার ট্রাইবেকারের শেষ শটটা আমাদের দলের একজন খেলোয়াড় নেয়। সেই শটটা ফল্ট হওয়ায় রেফারি পুনরায় শট নিতে বলেন। রেফারির এই সিদ্ধান্ত না মেনে নিয়ে আইবিএর শিক্ষার্থীরা রেফারিকে মারতে উদ্যত হয়। তখন আমাদের দলের খেলোয়াড়রা রেফারিকে রক্ষা করতে যায়। এ সময় আইবিএর শিক্ষার্থীরা আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। বিষয়টি দেখে আমাদের বিভাগের অধ্যাপক মোইজুর রহমান স্যার মারামারি থামাতে যান। এ সময় আইবিএ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সিনহা স্যারের কলার টেনে ধরে এবং স্যারকে ধাক্কাধাক্কি করে।

তিনি বলেন, এ ঘটনার পরে আইবিএর শিক্ষার্থীদের আরও অনেকে সেখানে আসে এবং আমাদের মারধর করে। পরে আমরা বিভাগে ফিরে এসে স্যারের গায়ে হাত তোলার বিষয়ে আন্দোলন করি। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনার আশ্বাস দিলে আমরা আন্দোলন স্থগিত করি।

এদিকে ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিমেল সায়েন্সেস বিভাগের শিক্ষার্থীরাই আগে আইবিএর দুইজন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলেছেন বলে জানিয়ে আইবিএর শিক্ষার্থী সন্তোষ পাল বলেন, মূলত রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের কারণেই আজকের মারধরের সূত্রপাত। এ ঘটনায় ভেটেরিনারির শিক্ষার্থীরাই আগে আমাদের আইবিএর শিক্ষক মীর মোকাদ্দেস আলী এবং আনাম শাহরিয়ার রাব্বী স্যারের গায়ে হাত তোলে। পরবর্তীতে আমাদের আইবিএর শিক্ষার্থীরা উল্টো প্রতিহত করে। এ ঘটনায় আমাদের শিক্ষার্থীদেরই বেশি মারধর করা হয়েছে।

এদিকে মারধরের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. জহুরুল আনিসকে আহবায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রাবি প্রশাসন। কমিটির অন্য দুইজন সদস্য হলেন সহকারী প্রক্টর ড. আল মামুন এবং মো. মাহফুজুর রহমান।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর বলেন, মারামারির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে। কমিটিকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আরও খবর

  • বাড়ির পাশের সড়কে পড়েছিল ইউপি সদস্যের মরদেহ
  • দেশের ১৫ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির আভাস
  • হারিকেন ইয়ানের আঘাতে যুক্তরাষ্ট্রে নিহত বেড়ে ৭০
  • সবজির হাটে মালবাহী ট্রাকের চাপায় নিহত ৪
  • ইউরোপে প্রবৃদ্ধিতে শীর্ষে বাংলাদেশ
  • স্টেডিয়াম ভেঙে আহত ৪
  • তীর্থযাত্রীদের নিয়ে পুকুরে ট্রাক্টর, নিহত ২৬
  • বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়েছে
  • স্কুলছাত্রী অপহরণের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
  • ‘বাকির’ ১০০ টাকার জন্য প্রাণ গেল কাঠমিস্ত্রীর
  • চালের ড্রামে লুকানো ছিল শিশুর লাশ
  • ৫০০ টাকায় মিলবে জেলে থাকার স্বাদ
  • ছাত্রলীগ নেতার পা কেটে নেওয়ার হুমকি সাবেক এমপির
  • ইন্দোনেশিয়ায় ফুটবল মাঠে পদদলিত হয়ে নিহত ১২৯
  • ইমরান খানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  • উপরে