নন্দীগ্রামে আউশ ধানের ফলন ও দামে খুশি কৃষক

প্রকাশিত: আগস্ট ২৫, ২০২২; সময়: ৫:৩০ pm |
খবর > কৃষি
নন্দীগ্রামে আউশ ধানের ফলন ও দামে খুশি কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক, নন্দীগ্রাম : বগুড়ার নন্দীগ্রামে আউশ ধানের ভালো ফলন হচ্ছে। এছাড়া বাজারে ধানের দামও বেশ ভালো। এ বছর মৌসুমজুড়ে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ধানের রোগবালাই ও পোকার আক্রমণ কম ছিল। এখন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলছে আউশ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। এবার আউশের ভালো ফলন ও দামে বেজায় খুশি চাষিরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানা যায়, এ মৌসুমে ৩ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের চাষ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ হাজার ২৪৫ মেট্রিক টন ধান। উপজেলার বেশিরভাগ চাষিরা বিনা-১৯, পারি জাত ও বি ধান ৪৮ জাতের ধান চাষ করেছেন। এবার উপজেলায় আউশ চাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিন হাজার ৩০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, এখন ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজে ব্যস্ত কৃষকরা। বৃষ্টিতে ভিজে ধান যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য অনেক কৃষক খেতের পাশের উঁচু জায়গায় ধান মাড়াইয়ের কাজ করছেন। অনেকে মাড়াই করা ধান ও খড় শুকাচ্ছেন।

উপজেলার কৈডালা গ্রামের কৃষক মোবারক আলী বলেন, আউশ ধানের খরচ বোরো ধানের চেয়ে কম হয়। এবার প্রতি বিঘায় ১৮-১৯ মণ ধান হচ্ছে। প্রতি মণ ধান বাজারে ১১-১২শো টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষক লাভবান হবে।

হাটলাল গ্রামে কৃষক জয়নাল আবেদীন বলেন, ধানের ফলন ভালো হচ্ছে। বাজারে ধানের দামও ভালো। আমরা ৪৮ জাতের ধান চাষ করেছি। এখন আউশ ধান কেটে আমন ধানের চাষ করবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, কৃষি অফিস থেকে আউশ চাষিদের সবধরনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সম্মিলিতভাবে আউশ ধান চাষের পরামর্শ দিচ্ছি। এতে রোগবালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ কম হয়।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
topউপরে