রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন

প্রকাশিত: আগস্ট ১২, ২০২২; সময়: ৯:৩৮ pm |
রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে আন্তর্জাতিক যুব দিবস উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার) সকাল ১০ টার দিকে রাজশাহী সাহেব বাজার জিরোপয়েন্টে ১২ আগষ্ট ২০২২ আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষ্যে বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের পক্ষ থেকে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালী নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জিরোপয়েন্টে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে বরেন্দ্র অঞ্চলের জলবায়ু পরিবেশ ও পানির সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সাত দফা দাবি তুলে ধরে।

দিবসটি উদযাপন করেন বরেন্দ্র অঞ্চলের স্বেচ্ছাসেবী ২৫ টি যুব সংগঠনের সদস্যরা। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখের বরেন্দ্র অঞ্চল যুব সংগঠন ফোরামের সদস্য সচিব তরুণ শাইখ তাসনীম জামাল, বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়নের দাবি নিয়ে বক্তব্য তুলে ধরেন বীর মুক্তি যোদ্ধা ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান, বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ ও জলাভ ভূমি গুলো সংরক্ষণের দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন নদী ও পরিবেশ গবেষক মাহবুব সিদ্দীকী, আরো বক্তব্য দেন স্যাভ দা ন্যাচার এর চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের তরুণ স্বেচাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তরুণ সংগঠন সামাজিক কল্যাণ সংস্থার নির্বাহী পরিচালক সম্রাট রায়হান। বরেন্দ্র অঞ্চলের জলবায়ু পরিবেশ ও পানির সুরক্ষা নিশ্চিত দাবি নিয়ে ধারনাপত্র ও দাবি তুলে ধরেন বারসিক’র গবেষক ও  বরেন্দ্র অঞ্চল সমন্বয়কারি মো. শহিদুল ইসলাম।

সাত দফা দাবি গুলি হচ্ছে, ১. বরেন্দ অঞ্চলের গ্রাম ভিত্তিক খাস/ সরকারি প্রতিটি পুকুড়/দিঘি সেই গ্রামের মানুষের ব্যবহারের জন্য শর্তবিহীন এবং জামানতবিহীন আজীবনের জন্য লিজ দিতে হবে। পুকুর/দিঘিগুলো পুণঃসস্কার করে দিতে হবে।

২. বরেন্দ্র ডিপ ব্যবস্থাপনায় পানি বন্ঠন বৈষিম্য নীতি পরিহার করে সরাসরি কৃষকদের পরিচালনা করতে দিতে হবে। প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণ বন্ধ করতে হবে।
৩. বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রতিটি গ্রামে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

৪. বরেন্দ্র অঞ্চলের প্রাকৃতিক জলাশয়/ জলাধারগুলো পূণঃসংস্কার এবং তা লিজ বাতিল করে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

৫. ভুগর্ভস্থ্য পানির উত্তোলন কমিয়ে ভু-উপরোস্থ্য পানি ব্যবহার এবং সেই সুবিধাগুলো সৃষ্টি করে দিতে হবে।
৬. বরেন্দ্র অঞ্চলের বৈচিত্র্য ও পরিবেশ সুরক্ষায় উচুঁ-নীচু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন ভূমি কর্তন/সমান করা বন্ধ করাসহ বড় বড় বৃক্ষগুলো সুরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বৃক্ষনিধন বন্ধ করতে হবে।

৭. খরা এবং দুর্যোগের কারনে শস্য ফসলসহ গবাদি পশুপাখির ক্ষতি পূরণ দিতে হবে। খরাকালিন কাজের অভাবে  প্রান্তিক আদিবাসী ও অন্যান্য শ্রমজীবী মানুষের জন্য মৌসুমী খরা ভাতা চালু করতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপরে