এই গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখবেন যেভাবে

প্রকাশিত: মে ২৬, ২০২২; সময়: ২:০১ pm |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : গরম যত বাড়ছে, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শরীরের তাপমাত্রাও। যদি কোনও কারণে এই তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তা হলে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে।

যাদের কাজের প্রয়োজনে দিনের অনেকটা সময় বাইরে কাটাতে হয়, তাদের শরীরের তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি।

যদি কেউ এ সময় সিন্থেটিক মেটিরিয়ালের খুব টাইট ফিটিং পোশাক পরেন, তাহলেও তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। যারা প্রচুর তেল-মসলাদার খাবার খান কিন্তু সেই পরিমাণ পানি পান করেন না, তাদেরও শরীর গরম হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোক,মানসিক চাপ, র‍্যাশের জ্বালায় বিব্রত হতে পারেন। কেউ কেউ জ্ঞানও হারিয়ে ফেলেন।

এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে চাইলে কী করবেন-

প্রচুর পানি পান করুন। যে ঋতুতে যেমন মৌসুমি ফল বাজারে পাওয়া যায় তা স্বাস্থ্যের পক্ষে খুব ভালো। এতে শরীরে পানিও প্রবেশ করে। ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অনেক পানি বেরিয়ে যায়। তাই যারা খুব ঘামেন, তারা একটু বেশি পানি খাবেন। তা না হলে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থাকে।

যদি বাইরে থেকে বাড়িতে আসার পর মাথা ঝিমঝিম করছে বলে মনে হয়, তা হলে একটি বালতিতে বরফ বা বরফঠান্ডা পানি নিয়ে তাতে পা ডুবিয়ে ২০ মিনিট বা আধ ঘণ্টা বসুন। দেখবেন, ধীরে ধীরে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক হচ্ছে।

বাইরের খোলা হাওয়ায় খুব ভোরে বা বিকেলের দিকে ওয়ার্কআউট করতে পারেন, কিন্তু দিনের বাকি সময়টা কঠিন ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন।

খুব টাইট, সিন্থেটিক পোশাক পরবেন না। সুতি কাপড় ব্যবহার করুন। সেই সঙ্গে প্রচুর প্রোটিন খাওয়ার অভ্যাস থাকলে সেটাও নিয়ন্ত্রণ করুন।

কী কী খাবেন

ডাবের পানি : ডাবের পানিতে প্রচুর ইলেকট্রোলাইট থাকে, ‌এটি শরীরকে ভিতর থেকে শীতল থাকতে সাহায্য করে।

ঘোল : দইয়ের ঘোল বিপাক বাড়াতে দারুণ কার্যকর। এতে থাকা প্রোবায়োটিক, ভিটামিন, প্রোটিন শরীরের স্বাভাবিক শক্তি দেয়। ফলে শরীরে ক্লান্তি আসবে না।

অ্যালোভেরা : অ্যালোভেরার গুণের শেষ নেই। এর জেল ত্বকে লাগালে র‍্যাশের জ্বালা সমস্যা। অ্যালোভেরার জ্যুস খেলেও শরীর ঠান্ডাও থাকবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে