ব্যাংক পরিচালকের সুদ মওকুফে অনুমোদন লাগবে না

প্রকাশিত: মে ২৫, ২০২২; সময়: ১০:৪৯ am |

পদ্মাটাইমস ডেস্ক : ব্যাংকের পরিচালক, পরিবারের সদস্য বা তাদের স্বার্থ-সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুদ মওকুফে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের যে বাধ্যবাধকতা দেওয়া হয়েছিল, তা তুলে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। নীতিমালা জারির এক মাসের মাথায় আরও দুটি ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার নীতিমালা শিথিল সংক্রান্ত সার্কুলারে বলা হয়েছে, গত ২১ এপ্রিল জারি করা সুদ মওকুফ সংক্রান্ত নীতিমালায় অবলোপন করা ঋণের সুদ মওকুফের বিষয়টি স্পষ্টভাবে বলা ছিল না। সুদ মওকুফ নীতিমালা ব্যাংকের অবলোপন করা ঋণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

নীতিমালার ২(ঝ)-এ সংশোধন করে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকের পরিচালক, তার পরিবারের সদস্য বা পরিচালকের স্বার্থ-সংশ্নিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ঋণের সুদ মওকুফের ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৮ ধারা পরিপালন নিশ্চিত করতে হবে। আগের নীতিমালায় ২৮ ধারা পরিপালনের পাশাপাশি অবশ্যই বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন নেওয়ার নির্দেশনা ছিল।

২(গ) সংশোধন করে শুধু রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকের আয় খাত বিকলন করে সুদ মওকুফ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আগে সব ব্যাংকের ক্ষেত্রে যা প্রযোজ্য ছিল। এই সংশোধনীর ফলে এখন থেকে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক চাইলে আয় খাতে নেওয়া সুদও মওকুফ করতে পারবে।

আগের নীতিমালার ২ (চ)-এর আওতায় গ্রাহকের মৃত্যু, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জামানতসহ ঋণ গ্রহীতার সব সম্পদ বিক্রির পরও তহবিল ব্যয়ের সমপরিমাণ অর্থ আদায় করতে না পারলে এবং তিন বছর বন্ধ প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কেবল তহবিল ব্যয় আদায়ের শর্ত শিথিল করতে পারবে।

এ ক্ষেত্রেও ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগের মাধ্যমে যৌক্তিকতা যাচাই করে হেড অব ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্সের মতামত নিতে বলা হয়। তা সংশোধন করে বলা হয়েছে, এসব ক্ষেত্রের বাইরে অপরিহার্য ক্ষেত্রে তহবিল ব্যয় আদায়ের শর্ত শিথিল করতে নিরীক্ষা করাতে হবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
উপে